ইভ্যালির রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি, শামীমা কারাগারে

আগের সংবাদ

নোয়াখালী আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি, স্থান হয়নি কাদের মির্জার

পরের সংবাদ

নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১ , ১২:৫৪ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১ , ২:৩৭ অপরাহ্ণ

রাকিব হাসানের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা অবস্থায় ডিভোর্স পেপার ছাড়াই বিয়ে করার অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন, তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মী এবং তামীমার মা সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালত এ আবেদন করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, পাঁচবার দিন পরিবর্তন করার পর এদিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের ধার্য ছিল। জাল জালিয়াতি করে অবৈধভাবে তালাকের নোটিশ তৈরি করে নাসির-তামিমার বিয়ে হয়েছে। তাদের বিয়ে অবৈধ বলে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তামিমা রাকিবকে তালাক দেননি। আইনগতভাবে রাকিব তালাকের কোনো নোটিশও পাননি। তামিমা উল্টো জাল জালিয়াতি করে তালাকের নোটিশ তৈরি করে তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। যথাযথ প্রক্রিয়ায় তালাক না দেওয়ার ফলে তামিমা তাম্মী এখনও রাকিবের স্ত্রী বহাল রয়েছেন। দেশের ধর্মীয় বিধিবিধান ও আইন অনুযায়ী এক স্বামীকে তালাক না দিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করা অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমন পরিস্থিতিতে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা তাম্মীর বিয়ে অবৈধ।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসের দিন ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা তাম্মীর বিয়ে হয়। এর দশদিন পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার প্রথম স্বামী মো. রাকিব হাসান বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। বাদীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা অবস্থায় তামিমা নাসিরকে বিয়ে করেছেন যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। নাসির তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

মামলার ওইদিনই আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এরপর শুনানি শেষে বিকেলে আদালত মামলার অভিযোগের বিষয়ে পিবিআইকে তদন্ত করে ৩১ মার্চ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় পরে দ্বিতীয় দফায় ২ মে, তৃতীয় দফায় ২৩ জুন এবং চতুর্থ দফায় ৩১ আগস্ট দিন ধার্য করেন আদালত।

ডি-এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়