জব্দ গাড়ি-ফোন ফেরত পেতে মঙ্গলবার আদালতে যাবেন পরী মনি

আগের সংবাদ

জন্মদিনে একটি বিশেষ অনুরোধ

পরের সংবাদ

জমে উঠেছে বিসিবি নির্বাচন

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১ , ১:০৪ পূর্বাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১ , ১:০৪ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন আগামী ৬ অক্টোবর। মনোয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে সোমবার পরিচালক পদে নির্বাচনের জন্য ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। বিসিবির পরিচালনা পরিষদ সংখ্যা ২৫টি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে দুইজন মনোনীত হওয়ায় নির্বাচন হচ্ছে ২৩টি পদে। আঞ্চলিক ও জেলা ক্রিকেট সংস্থার প্রতিনিধি (ক্যাটাগরি-১) থেকে ১০ পরিচালক পদের বিপরীতে ১৩ জন মনোনয়নপত্র নেন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা সাত সংগঠকেরা। তবে ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে মূল লড়াইটা হবে ক্লাব ক্যাটাগরিতে। যেখানে ১২ পদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৭ কাউন্সিলর।

শেষ মুহূর্তে এসে বেশ জমে উঠেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আসন্ন নির্বাচন। এবার একাধিক বিভাগে হবে ভোটাভুটি। ঢাকা বিভাগের দুইটি পদের জন্য ৪টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার তানভীর আহমেদ টিটু, মানিকগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার নাঈমুর রহমান দুর্জয়, কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম ও মাদারীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার খালিদ হোসেন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তাদের মধ্যে দুজন ভোটের মাধ্যমে পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এছাড়া রাজশাহী বিভাগের একটি পদের জন্য লড়ছেন দুজন। খালেদ মাসুদ পাইলট রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলরশিপ পেয়েছেন। এছাড়া বর্তমান পরিচালক সাইফুল আলম স্বপন চৌধুরী কাউন্সিলরশিপ পেয়েছেন পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে ৩০ সেপ্টেম্বর।

এদিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় এবার বিসিবি পরিচালক পদে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে আ জ ম নাছির ও আকরাম খান। খুলনায় বিভাগের ২ জন শেখ সোহেল ও কাজী ইনাম। সিলেটের পরিচালক পদে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এবং বরিশালে আলমগীর খান আলো। এছাড়া রংপুর বিভাগ থেকে এডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, পরিচালক পদে নির্বাচনের জন্য ১৭১ কাউন্সিলর তিন ক্যাটাগরিতে নির্বাচনে ভোট দেবেন। প্রথম ক্যাটাগরি আঞ্চলিক জেলা ও ক্রীড়া সংস্থার। কাউন্সিলর আছেন ৭১ জন। দ্বিতীয় ক্যাটাগরি ঢাকা মেট্রোপলিটন ক্লাব প্রতিনিধি। কাউন্সিলর আছেন ৫৭ জন। তৃতীয় ক্যাটাগরি থেকে কাউন্সিলর রয়েছেন ৪৩ জন।

এদিকে নির্বাচন নিয়ে বেশ উৎসবমুখর পরিবেশে বিসিবি কার্যালয়ে। নির্বাচন নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, ‘এবার লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। যে কেউ নির্বাচন করতে পারে কারণ কোনো প্যানেল নেই। মাননীয় সভাপতিও তো বলেছেন উনারও কোনো প্যানেল নেই। যে কোনো কাউন্সিলর নির্বাচন করতে পারবেন। অনেকে স্বাধীনভাবে এসেছেন, প্যানেল না থাকলেও নিজেদের যোগ্যতায় নির্বাচন করতে চাচ্ছেন। নির্বাচন হবে এটা ভালো তো। আনন্দের বিষয়।’ এ সময় জালাল ইউনুস আরো বলেন, ‘অনেকেই সংগঠন থেকে এসেছেন। তারা মনে করছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে অবদান রাখতে পারবেন, সেজন্য আসতে চাচ্ছেন। আমরা তো স্বাগতম জানাব। তারা ক্রিকেটে অবদান রাখলে এটা অবশ্যই প্রশংসনীয়।’ জালাল ইউনুস এবার কাউন্সিলর হয়েছেন ক্রীড়া পরিষদ থেকে। গুঞ্জন আছে, ক্রীড়া পরিষদের যে দুটি কোটা আছে বোর্ডের পরিচালক পদের, তার একজন হবেন জালাল ইউনুস। তবে তিনি অবশ্য এখনই নিশ্চিত করেননি বিষয়টি। জালাল ইউনুস এ বিষয়ে জানান, ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বী আছি। কোন ২ জন আসবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে তো সেরকম কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। আমরা প্রার্থী, সন্দেহ নেই। চূড়ান্ত হওয়ার পর জানতে পারব। এখন নিশ্চিত করে বলতে পারছি না আমি আসব।’

এদিন মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসে প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক নাইমুর রহমান দুর্জয়। এ সময় তিনি বলেন, ‘দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে আঞ্চলিক ক্রিকেট অধিদপ্তর করার বিকল্প নেই। ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে হলে আঞ্চলিক ক্রিকেটের উন্নয়ন, একাডেমি ও অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আরো বেশি করে মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে আগে একটা সময় ছিল যখন বোর্ডের সংকট ছিল, সীমাবদ্ধতা ছিল। সেগুলো কিন্তু এখন নেই।’

ডি-এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়