শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠলেন সাবিনারা

আগের সংবাদ

ইউরোপের প্রথম নারী সংখ্যাগরিষ্ঠ পার্লামেন্ট হচ্ছে আইসল্যান্ডে

পরের সংবাদ

লাশেট না শোলজ- কে হচ্ছেন জার্মানির চ্যান্সেলর

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১ , ১১:৩৭ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১ , ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ

আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে জার্মানরা। রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশটির সংসদ নির্বাচনের ভোট হয়ে গেল। ভোটের পরপরই বুথ ফেরত সমীক্ষার দেখা গেছে, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি দুই দল প্রায় সমান ভোট পেয়েছে। ফলে এখন তারা জানার অপেক্ষায় এই দুই দলের দুই প্রার্থীর কে হচ্ছেন আগামি দিনের জার্মানির কাণ্ডারি। আজ সোমবার নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যেতে পারে আঙ্গেলা মের্কেলের রক্ষণশীল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন পার্টির ( সিডিইউ/সিএসইউ) আরমিন লাশেট নাকি মধ্য-বামপন্থী সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এসপিডি/ এসডিএফ) ওলাফ শোলজ হচ্ছেন চ্যান্সেলর এঙ্গেলা মেরকেলের উত্তরাধিকারী। তবে যেই জয়ী হোক, পাচ্ছেন না সংখ্যাগরিষ্ঠতা। এটা একাধিক বুথ ফেরত জরিপে স্পষ্ট হয়ে গেছে। মাঠের বিরোধীতা অতিক্রম করে সরকার গঠনে তাই জয়ীকে অবশ্যই প্রতিদ্বন্দ্বির হাত ধরতেই হবে। তবে উভয় দলের জন্যই বিভিন্ন শর্তে সমাঝোতায় আসা হবে খুবই কঠিন। একই সঙ্গে ছোটদলগুলোও সরকার গঠনে বেশ প্রভাব রাখবে।

বুথ ফেরত জরিপে দেখা গেছে, আরমিন লাশেটের সিডিইউ/সিএসইউ পেয়েছে ২৪ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট। এসপিডি/ এসডিএফের ওলাফ শোলজ ২৪ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। মাত্র দশমিক ২ শতাংশ ভোটে এগিয়ে এসপিডি। আনালেনা বেরবক-এর নেতৃত্বে থাকা গ্রিন পার্টি পেয়েছে ১৫ শতাংশ ভোট।

এছাড়া বুথ ফেরত জরিপে মুক্ত বাজারপন্থী ফ্রি ডেমোক্রেটস (এফডিপি) ও অভিবাসনবিরোধী দল এএফডি ১১ শতাংশ করে ভোট ও কট্টর বাম দল পাঁচ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

২০১৭ সালের নির্বাচনের তুলনায় এসপিডি প্রায় সাড়ে চার শতাংশ ভোট বেশি পেয়েছে। গ্রিন পার্টির ভোট বেড়েছে ছয় শতাংশের বেশি৷ চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সিডিইউ দলের ভোট কমেছে প্রায় আট শতাংশ।

বুথ ফেরত সমীক্ষার ফলে দেখা যাচ্ছে আগামী সরকার গঠন প্রক্রিয়া কঠিন হতে পারে। একটা উপায় হতে পারে সিডিইউ/সিএসইউ ও এসপিডি দলের সমন্বয়ে গঠিত বর্তমান জোট সরকারের মতোই আবারও সরকার গঠন করা। এছাড়া সিডিইউ/সিএসইউর নেতৃত্বে সবুজ ও এফডিপি দলের সরকার গঠন হতে পারে। আবার এসপিডির নেতৃত্বেও সরকারে যেতে পারে সবুজ ও এফডিপি দল।

স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়৷ চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত৷ আট কোটি মানুষের এই দেশে ভোটারের সংখ্যা প্রায় ছয় কোটি।

ভোটাররা দু’টি করে ভোট দিয়েছেন। একটি ভোট সরাসরি প্রার্থী নির্বাচনের, অপরটি পছন্দের দলকে৷ দ্বিতীয় তালিকায় দলীয় সমর্থনের অনুপাতের ভিত্তিতে সংসদে অর্ধেক আসনে প্রার্থী স্থির করা হয়। তবে কে চ্যান্সেলর হতে যাচ্ছেন তা আজই নির্ধারিত হবে না। পার্লামেন্টের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা চ্যান্সেলর নির্বাচিত করবেন।

২৯৯টি সংসদীয় এলাকায় সরাসরি নির্বাচন হয়েছে। অন্য আসনগুলো দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাত অনুযায়ী মীমাংসিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী, দলগুলো তাদের ভোটপ্রাপ্তির সংখ্যাতত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেও মনোনীত প্রার্থীদের পার্লামেন্টে পাঠাতে পারে। কোনো দল ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে পার্লামেন্টে যাওয়ার গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়