বিদ্যালয়েও করোনার হানা ৫ জেলায় শ্রেণিকক্ষে তালা

আগের সংবাদ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণের পথ থেকে সরছে শ্রীলঙ্কা

পরের সংবাদ

সাংবাদিকদের জানালেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব

চট্টগ্রামে হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১ , ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১ , ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর নির্মাণ করা হবে। তাছাড়া নগরীর নন্দনকাননে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার যেখানে আছে সেখানেই থাকবে, স্থানান্তরিত হচ্ছে না। শুধু সংস্কার করা হবে। শহীদ মিনার, মুসলিম ইনস্টিটিউট হল, বিভাগীয় পাবলিক লাইব্রেরি এলাকা ঘিরে সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণ করার কাজ চলছে। তাছাড়া পতেঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে আধুনিক বে টার্মিনাল ও রিংরোডের কাজ সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থান অনেকটাই পাল্টে যাবে। গত শুক্রবার চট্টগ্রামের নন্দনকাননে নির্মাণাধীন সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সের নির্মাণ প্রকল্প, কাট্টলীতে প্রস্তাবিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘরের স্থান এবং চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনালের প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন তথ্যই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর শহীদ মিনার এলাকায় মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ পরিদর্শনের সময় মুখ্য সচিব বলেন, ঐতিহাসিক চট্টগ্রামের আলাদা গুরুত্ব আছে, তাই প্রধানমন্ত্রী এখানে অনেক উন্নয়ন করছেন। মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামের বিশেষ অবদান আছে। এই চট্টগ্রাম থেকেই এমএ হান্নান বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব দেন চট্টগ্রামকে। দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী চট্টগ্রামে স্মৃতিসৌধ নেই, সরকার এটি নির্মাণ করবে। কাট্টলী এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছি, খুবই চমৎকার জায়গা। এ ছাড়া মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ চলছে। এখানে যে এমন সাংস্কৃতিক বলয় তৈরি হচ্ছে তা দেখে আমি চট্টগ্রামের সন্তান হিসেবে গর্বিত।

চট্টগ্রামে শহীদ মিনারটি বর্তমান স্থান থেকে সরিয়ে না নিতে সাংস্কৃতিক কর্মীরা দাবি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শহীদ মিনার কোথাও সরিয়ে নেয়া হচ্ছে না। শুধু সংস্কার করা হবে। এটি এখানেই স্থায়ীভাবে থাকছে। যে নকশায় এই প্রকল্প নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে, তারই ধারাবাহিকতায় শহীদ মিনারও উন্নয়ন করা হবে। আমরা শহীদ মিনারটি ভালোভাবে সংরক্ষণ করার জন্য কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এরপর চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনালের প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন দেখেছেন বলেই বে টার্মিনাল বাস্তবায়ন হচ্ছে। রিং রোড বাস্তবায়নসহ বেশকিছু উন্নয়নের ফলে পুরো এলাকার চিত্র পাল্টে গেছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, বে টার্মিনাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমরা পেয়েছি। এখন দ্রুততম সময়ে কনসালট্যান্ট নিয়োগ করে আমরা প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাব। প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের পর বে টার্মিনালের হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য, জমি অধিগ্রহণ ও ডিটেইল ডিজাইন তুলে ধরেন বন্দরের চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার এম আরিফুর রহমান, উপব্যবস্থাপক (ভ‚মি) জিল্লুর রহমান ও নির্বাহী প্রকৌশলী রাফিউল আলম।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়