পাকিস্তানের জঙ্গি যোগাযোগ নিয়ে উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রের

আগের সংবাদ

ত্যাগীদের মূল্যায়ন করুন

পরের সংবাদ

ঢাকা বিভাগেই রয়েছে সাড়ে ৩ হাজার মাদক কারবারি

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ , ১:০০ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ , ১:০০ অপরাহ্ণ

শুধু ঢাকা বিভাগেই মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা সাড়ে ৩ হাজার। সম্প্রতি মাদক ব্যবসায়ীদের এই তালিকা হালনাগাদ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ইয়াবা ব্যবসায়ীরাই মিয়ানমার থেকে নতুন মদক আইস নিয়ে আসছে দেশে। এ মাদকে যুক্ত হচ্ছে বিত্তশালীরা। কেউ বিবিএ করেছেন ইংল্যান্ডে, কেউ অস্ট্রেলিয়ায়। ধনাঢ্য পরিবারের সন্তানরা রাজধানীর অভিযাত এলাকায় করছেন মাদকের কারবার। তারা সেবনের পাশাপাশি ভয়ানক মাদক আইস কারবারের সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে।

শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ডিএনসির ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক ফজলুর রহমান ঢাকা মেট্রো কার্যালয় (উত্তর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৫ আইস ব্যবসায়ী ও সেবনকারীকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জাকারিয়া আহমেদ অমন, তারেক আহম্মেদ,সাদ্দাম হোসেন, শহীদুল ইসলাম খান ও জসিম উদ্দীন। বুধবার ও বৃহস্পতিবার ধারাবাহিক অভিযানে রাজধানীর গুলশান, বনানী, রমনা ও ভাটারা এলাকায় কয়েকদফা অভিযান চালিয়ে ওই ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ৫৬০ ক্রিস্টাল মেথ (আইস)। ডিএনসির অতিরিক্ত পরিচালক বলেন, এসব মাদকের উৎস মিয়ানমার। নাফ নদী পথে গভীর সমুদ্র হয়ে আসছে এসব চালান।

গত মাসের ২১ আগষ্ট প্রায় আধা কেজি আইসসহ বনানী-উত্তরা থেকে ১০ সদস্যের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর-ই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন গোয়েন্দা কৌশল ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে গুলশান, ভাটারা, কুড়িল, রমনা এলাকায় আইস এর আরো একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ককে আমরা সনাক্ত করতে সক্ষম হই।

তিনি আরও বলেন, রমনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জাকারিয়া আহমেদ অমনকে রমনা এলাকা থেকে পাঁচ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ গ্রেপ্তার করা হয়। জাকারিয়ার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গুলশান বারিধারা দূতাবাস এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তারেক আহম্মেদকে পাঁচ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস ও একশ পিস ইয়াবা ও একটি প্রাইভেটকারসহ গ্রেপ্তার করা হয়। জাকারিয়া ও তারেকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সাদ্দাম হোসেনকে ৯০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইচ ও চারশ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

ফজলুর রহমান বলেন, পরবর্তীতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে শহীদুল ইসলাম খানকে একই এলাকা থেকে দুইশত গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস ও পাচশ পিস ইয়াবা, একটি প্রাইভেটকারসহ গ্রেপ্তার করা হয়। আসামীদের তাৎক্ষনিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জোয়ার সাহারা, ভাটারা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জসিম উদ্দিন ২৬০ গ্রাম আইস ও দুইশ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

আসামিদের কাছ মোট ৫৬০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা এবং দুইটি প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয় যার আনুমানিক মূল্য কোটি টাকার অধিক। আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করা হয়। ক্রিস্টাল মেথ (আইস) একটি ভয়ঙ্কর মাদক যা ইয়াবার থেকে বহুগুন শক্তিশালী যা মানব মস্তিস্কের নিউরনে ব্যপক প্রভাব ফেলে। এটি একটি ‘ক’ শ্রেণীর মাদকদ্রব্য।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়