নিউজ ফ্ল্যাশ

আগের সংবাদ

এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা দাবি

পরের সংবাদ

জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর নির্ভীক অভিষেক, ভাষণ দিলেন মাতৃভাষায়

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ , ৮:৩৭ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ , ৮:৫১ অপরাহ্ণ

২৫ সেপ্টেম্বরের সেই ঐতিহাসিক দিনটির কথা বলছি। ১৯৭৪ সালের আজকের এই দিনে সারা বিশ্ব পরম-কৌতূহলে তাকিয়ে ছিল নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘের সদর দপ্তরের দিকে। আজকের দিনটি ছিল একটা বিশেষ দিন। মার্কিন-চীন ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে বাংলাদেশ নামের ছোট্ট একটি দেশ, তার সাত কোটি আধ-পেটা বুভুক্ষু মানুষ- শীর্ণ শরীর নিয়ে ৯৩ হাজার সেনার সুসংগঠিত এক আধুনিক সামরিকবাহিনীকে মেরে খেদিয়েছে নিজেদের মাতৃভূমি থেকে। স্বাধীন হওয়ার পর প্রায় তিন বছরের চেষ্টায় সেই দেশ ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরের মাত্র সপ্তাহ খানেক আগে জাতিসংঘের সদস্যপদ পেয়েছে। সেই দেশটির নেতা আজকের এই দিনে বিশ্ববাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। কী বলেন- সেটাই ছিল সবার শোনার বিষয়।

নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৩টা, ঢাকার ঘড়িতে তখন রাত ১টা। নাম ঘোষিত হলো: অনারবেল প্রাইম মিনিস্টার অব পিউলস রিপাবলিক বাংলাদেশ হিস এক্সিলেন্সি শেখ মুজিবুর রহমান…। নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সভার সভাপতি চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন। এ এক বিরল সম্মান প্রদর্শন।

জাতিসংঘে ভাষণ দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু। ফাইল ছবি

সেই মহান নেতা গলা আঁটা কালো কোট গায়ে এসে দাঁড়ালেন ডায়াসে। গমগমে গলায় বলতে শুরু করলেন, ‘আজ এই মহান পরিষদে আপনাদের সামনে দুটো কথা বলার সুযোগ পেয়ে আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। মানবজাতির এই পার্লামেন্টে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষ প্রতিনিধিত্ব লাভ করায় আপনাদের মধ্যে যে গভীর সন্তোষের ভাব লক্ষ করেছি, আমিও তার অংশীদার…’

না, ইংরেজিতে নয়। তাঁর প্রিয় মাতৃভাষাতেই তিনি বলে যেতে লাগলেন কথাগুলো। গানের মতো গীতল সেই ভাষার অর্থ বিশ্ববাসী বুঝেনি তৎক্ষণাৎ, কিন্তু এর আবেগ তাদের ঠিকই স্পর্শ করেছে। তারা জানে, এ নেতা ইংরেজি জানেন না বলে তার মাতৃভাষায় বক্তৃতা দিচ্ছেন- এমনটা নয়। বিবিসিতে দেয়া তাঁর ইংরেজি সাক্ষাৎকার ইতোমধ্যে তারা দেখেছে ও শুনেছে। তাই জানে, ভাষা কোন সমস্যা নয়। এই নিজের ভাষায় ভাষণ দেয়ার পেছনে এক ঐতিহাসিক বাস্তবতা নিহিত।

সেক্যুলারিজমের জন্ম যদিও ইউরোপে, কিন্তু সেই ধারণা আবর্তিত ছিল ধর্মকেই কেন্দ্র করে। খ্রিস্টধর্মের দুটো উপমতের দ্বন্দ্বে রাষ্ট্র নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখবে, এই ছিল মূল ভাবনা। কিন্তু ধর্মকে রাষ্ট্র গঠনের উপাদান না করে সম্পূর্ণ ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদকে সামনে রেখে একটি রাষ্ট্র সৃষ্টি- পৃথিবীর ইতিহাসে এ এক নতুন ধারণা। সেটাই করে দেখিয়েছে শিক্ষা-দীক্ষায় পিছিয়ে থাকা বাঙালিরা। সেই প্রগতিশীল চিন্তার প্রতিভূ হিসেবে জাতিসংঘে হাজির হয়েছেন তাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। অতএব তিনি যে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ভাষায় কথা বলেননি, সেটাই স্বাভাবিক।

মাত্র ৪৫ মিনিটের ভাষণে সদ্য স্বাধীন সেই দেশটির জনগণের মনোভাব বিশ্ববাসীর কাছে স্পষ্ট করে তোলেন সেই কিংবদন্তি নেতা। ত্রিশ লক্ষ মানুষের রক্তের প্লাবনে স্বাধীনতা পাওয়া সেই দেশটির আদর্শ কী, তা বলতে গিয়ে নেতা বলেন, ‘জাতিসংঘ সনদে যে মহান আদর্শের কথা বলা হয়েছে তা আমাদের জনগণেরও আদর্শ এবং এ আদর্শের জন্য তারা চরম ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এমন এক বিশ্ব-ব্যবস্থা গঠনে বাঙালি জাতি উৎসর্গীকৃত, যে ব্যবস্থায় সকল মানুষের শান্তি ও ন্যায়বিচার লাভের আকাঙ্খা প্রতিফলিত হবে এবং আমি জানি আমাদের এ প্রতিজ্ঞা গ্রহণের মধ্যে আমাদের লাখো লাখো শহিদের বিদেহী আত্মার তৃপ্তি নিহিত রয়েছে।’

তাঁর সদ্য স্বাধীন দেশটি তখন হাজারো সমস্যায় জর্জরিত। এ নিয়ে তাঁর কোন কপটতা নেই। নেই লুকোচুরি। তিনি মুক্তকণ্ঠে প্রচার করলেন তাঁর দেশের কঠিন বাস্তবতা, ‘যুদ্ধের ধ্বংসস্তুপের উপরই বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। তারপর থেকে একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আমরা সম্মুখীন হয়েছি…। … প্রাকৃতিক বিপর্যয় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি শুধু প্রতিহত করেনি, দেশে প্রায় দুর্ভিক্ষ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। একই সময়ে বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির অর্থ আমাদের মতো একটি দেশের জন্য দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে ১ কোটি ডলারের ঘাটতির সৃষ্টি হয়েছে। জনসাধারণের জীবনধারণের মান নিছক বেঁচে থাকার পর্যায় থেকেও নিচে নেমে গেছে। মাথাপিছু যাদের বার্ষিক আয় ১০০ ডলারেরও কম তাদের অবস্থা আরও শোচনীয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী বেঁচে থাকার জন্য যে ন্যূনতম খাদ্য প্রয়োজন তারও কম খাদ্য খেয়ে যারা এতদিন বেঁচে রয়েছে, এখন তারা সম্পূর্ণ অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।’

কিন্তু এ দেশ তো সুকান্তের ‘সাবাস বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়/ জ্বলে পুড়ে-মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়’। তাই জাতিন পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপ্নদ্রষ্টার মতো বলে গেলেন, ‘একমাত্র শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই আমরা আমাদের কষ্টার্জিত জাতীয় স্বাধীনতার ফল আস্বাদ করতে পারব এবং ক্ষুধা, দারিদ্র্য, রোগশোক, অশিক্ষা ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার জন্য আমাদের সকল সম্পদ ও শক্তি নিয়োগ করতে সক্ষম হবো।’

শুধু দেশ নয়, সারাবিশ্ব ছিল এই মহান নেতার ভাবনা জুড়ে। তিনি বিশ্ব পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন পরিকল্পনার ব্যয় বহুগুণে বেড়ে গেছে। তাদের নিজেদের সম্পদ কাজে লাগানোর শক্তিও হ্রাস পেয়েছে। ইতোমধ্যেই যেসব দেশ দরিদ্র ও ব্যাপক বেকার সমস্যায় ভুগছে তারা তাদের অতি নগণ্য উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলোকেও কেটে ছেঁটে কলেবর ছোট করতে বাধ্য হয়েছে। এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে মাত্র ৫ থেকে ৬ শতাংশ হারে বর্ধিত আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা ছিল। বিশ্বের সকল জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে অগ্রসর না হলে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা এমন বিরাট আকার ধারণ করবে, ইতিহাসে যার তুলনা পাওয়া যাবে না। অবশ্য বর্তমানে অসংখ্য মানুষের পুঞ্জীভূত দুঃখ-দুর্দশার পাশাপাশি মুষ্টিমেয় মানুষ যে অভূপূর্ব বৈষয়িক সমৃদ্ধি ও সুখ-সুবিধা ভোগ করছে তার তুলনা ইতিহাসে বিরল।’

এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ব জাতিগোষ্ঠীর দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করে দিয়ে বঙ্গবন্ধু বললেন, ‘আমাদের একটা আন্তর্জাতিক দায়িত্ব রয়েছে। এ দায়িত্ব হলো বিশ্বের প্রতিটি মানুষ যাতে তার ব্যক্তিত্বের ও মর্যাদার উপযোগী অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার ভোগ করতে পারে তার ব্যবস্থা করা। মানবাধিকার-সংক্রান্ত সর্বজনীন ঘোষণায় এ অধিকারের গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে। মানবাধিকার-সংক্রান্ত সনদের ঘোষণা অনুযায়ী আমাদের আন্তর্জাতিক দায়িত্ব এমনভাবে পালন করতে হবে যাতে প্রতিটি মানুষ তার নিজের এবং পরিবারের সুখসমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় জীবনধারণের মান প্রতিষ্ঠার অধিকার অর্জনের নিশ্চয়তা লাভ করে।’

সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কী হবে তা বর্ণনা করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘বাংলাদেশ তবে সূচনা থেকেই জোট নিরপেক্ষ বৈদেশিকনীতি অনুসরণ করেছে। এই নীতির মূলকথা শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান এবং সকলের সঙ্গে মৈত্রী।’

সবার সঙ্গে ‘শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান এবং সকলের সঙ্গে মৈত্রী’ নীতি বাস্তবায়নে তিনি কতটা ছাড় দিতে রাজি তার উদাহরণও দিয়ে যান বিশ্ববাসীকে। তিনি বললেন, ‘আমরা আমাদের মহান নিকট প্রতিবেশী ভারত, বার্মা ও নেপালের সঙ্গে যেমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছি তেমনি অতীত থেকে মুখ ফিরিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক স্থাপনের প্রচেষ্টায়ও লিপ্ত রয়েছি। অতীতের তিক্ততা দূর করার জন্য আমরা কোনো প্রচেষ্টা থেকেই নিবৃত্ত হই নাই। ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকেও ক্ষমা প্রদর্শন করে এই উপমহাদেশে শান্তি ও সহযোগিতার নতুন ইতিহাস রচনার কাজে আমরা আমাদের আন্তরিকতার প্রমাণ দিয়েছি। এই ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে লিপ্ত থাকার অসংখ্য সাক্ষ্যপ্রমাণ ছিল, তবু সকল অপরাধ ভুলে গিয়ে আমরা ক্ষমা ও উদারতার এমন উদাহরণ সৃষ্টি করতে চেয়েছি, যা ভবিষ্যতে এই উপমহাদেশে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সহযোগিতার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।’

জাতির পিতা বলেন, ‘ উপমহাদেশের শান্তি নিশ্চিত করার কাজে আমরা কোনো পূর্বশর্ত দেই নাই কিংবা দরকষাকষি করি নাই। বরং আমরা জনগণের জন্য এক সুখময় ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রেরণা দ্বারা উদ্বুদ্ধ ও প্রভাবান্বিত হয়েছি। অন্যান্য অমীমাংসিত বিরোধ নিষ্পত্তির কাজেও আমরা ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক সমঝোতার উপর গুরুত্বারোপ করেছি।’

বাংলাদেশের ভূখণ্ডে অবস্থিত প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রতি তাঁর সচেতনতা ও সংবেদনশীলতার প্রমাণ মেলে জাতির পিতার এই নির্ভিক ভাষণে। তিনি বলেন, ‘৬৩ হাজার পাকিস্তানি পরিবারের দুর্গতি এখন একটি জরুরি মানবিক সমস্যা হয়ে রয়েছে। পাকিস্তানের প্রতি তাদের আনুগত্যের কথা তারা আবার প্রকাশ করেছেন এবং স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য তাদের নাম রেডক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটির কাছে তালিকাভুক্ত করেছেন। আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া এবং আইন অনুসারে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করার অধিকার তাদের রয়েছে।’

আয়তন অথবা অর্থনৈতিক সামর্থ্য একটি দেশের শেষ কথা নয়। সেই দেশের মানুষের আত্মপ্রত্যয় আর দৃঢ়চেতা থাকলে সেই দেশে ঘুরে দাঁড়াবেই। বাংলার লড়াকু মানুষই ছিল নেতার অহংকারের ভিত্তি। তাই তিনি দীপ্ত কণ্ঠে এক মর্যাদাশীল রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেন এভাবে, ‘আমি মানবের অসাধ্য সাধন ও দুরূহ বাধা অতিক্রমের অদম্য শক্তির প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থার কথা আবারও ঘোষণা করতে চাই। আমাদের মতো জাতিসমূহ, যাদের অভ্যুদয় সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে, এই আদর্শ, বিশ্বাসই তাদের বাঁচিয়ে রাখবে। আমাদের কষ্ট স্বীকার করতে হতে পারে। কিন্তু আমাদের ধ্বংস নেই। এ জীবন যুদ্ধের মোকাবেলায় জনগণের প্রতিরোধ ক্ষমতা ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞাই শেষকথা। আত্মনির্ভরশীলতাই আমাদের লক্ষ্য। জনগণের ঐক্যবদ্ধ যৌথ উদ্যোগই আমাদের নির্ধারিত কর্মধারা।’

পৌনে এক ঘন্টার এই ভাষণ ছিল এক সাহসী জাতির বিশ্ব দরবারে নির্ভিক অভিষেক। এদের দারিদ্র্য থাকতে পারে, সম্পদের অভাব থাকতে পারে- কিন্তু আত্মমর্যাদার সংকট ছিল না বিন্দুমাত্র।

এসব হয়ত বিশ্ব মোড়লদের ভালো লাগেনি। তাই এই ভাষণের এক বছরেরও কম সময়ে মধ্যে তাঁকে ঘাতকের বুলেটে নিহত হতে হলো। কঙ্গোর প্যাট্রিস লুমুম্বা, বার্মার অং সান কিংবা ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ণেরও প্রায় একই পরিণতি হয়েছিল। যারাই তাদের জাতিকে ঔপোনিবেশিক শক্তির হাত থেকে মুক্তি দিয়ে আত্মনির্ভরতার দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছেন, তারাই হয়েছেন ষড়যন্ত্রের শিকার।

সকল ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে আবার প্রগতির জয়রথে নিয়ে যাচ্ছেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনেও বাংলায় ভাষণ দেন। বঙ্গবন্ধু যে নির্ভিক অভিষেক ঘটিয়েছিলেন তাকে সফল পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন তার কন্যা। এ এক দারুণ পরম্পরার দৃষ্টান্ত হয়ে রবে ইতিহাসে।

লেখক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হৃদরোগ বিভাগের অধ্যাপক এবং হল প্রোভোস্ট। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়