পল্লীবন্ধুর করে যাওয়া জোট অক্ষুণ্ণ থাকবে: বিদিশা

আগের সংবাদ

রিগ্যান হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

পরের সংবাদ

অনলাইনে মতপ্রকাশের সূচকে আরও পেছাল বাংলাদেশ

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১ , ৯:৫২ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১ , ১০:৫৩ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশে অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আরও কমেছে বলে উল্লেখ করেছে মার্কিন অলাভজনক গবেষণা সংস্থা ফ্রিডম হাউস। ‘ফ্রিডম অন দ্য নেট-২০২১’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এর পেছনে দুটি কারণ চিহ্নিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি- ১. সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় ধরপাকড় জারি রেখেছে। ২. দিনে দিনে অভিনব নানা উপায়ে সরকারি নজরদারির খবর সামনে আসছে।

প্রতিবেদনে ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতার সূচকে ১০০ তে বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে ৪০ পয়েন্ট। গত বছর এই পয়েন্ট ছিল ৪২। এর আগে ২০১৯ সালে ৪৪, ২০১৮ সালে ৪৯, ২০১৭ সালে ৪৬ ও ২০১৬ সালে বাংলাদেশ পেয়েছিল ৪৪ পয়েন্ট।

এ পয়েন্টের ভিত্তিতে বিশ্বের ৭০টি দেশকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। পয়েন্ট ১০০ থেকে ৭০ এর মধ্যে থাকলে ‘মুক্ত’, ৬৯ থেকে ৪০ এর মধ্যে থাকলে ‘আংশিক মুক্ত’ এবং ৩৯ এর নিচে হলে ‘মুক্ত নয়’। এ হিসাবে ২০১৩ সাল থেকেই আংশিক মুক্ত শ্রেণির দেশগুলোর তালিকায় তলানিতে বাংলাদেশ।

এক্ষেত্রে ৯৬ পয়েন্ট পেয়ে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে আইসল্যান্ড। আর সবচেয়ে করুণ দশা চীনের, দেশটির পয়েন্ট মাত্র ১০।

প্রতিবেদনে থাকা সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে কেবল পাকিস্তান। ২৫ পয়েন্ট পেয়ে ‘মুক্ত নয়’ তকমা পেয়েছে তারা। ভারত ও শ্রীলঙ্কার পয়েন্ট যথাক্রমে ৪৯ ও ৫১।

প্রতিবেদনটিতে ইন্টারনেটে স্বাধীনতার স্তর নির্ণয়ে ৩ ধরনের মোট ২১টি প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে- ১. সেবা ব্যবহারে বাধা, ২. কনটেন্টের সীমাবদ্ধতা, ৩. মানবাধিকার লঙ্ঘন। প্রতিবেদন তৈরিতে ২০২০ সালের ১ জুন থেকে চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত ঘটনাবলি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশে ২০২০ সালের প্রথম ৯ মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৮০০ এর বেশি মামলা হয়েছে। সরকারের সাইবার ট্রাইব্যুনালের তথ্য অনুযায়ী ২০১৮ সালের অক্টোবরে আইনটি প্রণয়নের পর থেকে মামলা দায়ের হয়েছে প্রায় ২ হাজার।’

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়