রাবি ভর্তি পরীক্ষা শুরু ৪ অক্টোবর

আগের সংবাদ

নিউজ ফ্ল্যাশ

পরের সংবাদ

রিমান্ড শেষে ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে আদালতে হাজির করা হবে আজ

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ , ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ , ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানায় দায়ের করা মামলার ৩ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হবে আজ। মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হবে তাদের। আদালত সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

এরআগে গত শুক্রবার (১৭ সেপ্টেবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর এই রিমান্ড শেষ হয়। তাদের আজ আদালতে হাজির করে ফের রিমান্ড নেওয়া হবে কিনা আদালদে সংশ্লিষ্ট থানার নিবন্ধন শাখায় এখনো কোন নির্দেশনা আসেনি।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার আসামিদের রিমান্ডের খবর শুনে শুনানির সময় ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্ত্বরে অবস্থান করা ইভ্যালির প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাহক আসামিদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। তারা বলেন- আসামি রাসেল বাইরে থাকলে তারা পণ্য বা টাকা ফেরত পাবেন। আসামিরা জেলে গেলে ইভ্যালি থেকে কিছুই পাবেন না। তাদের অবস্থাও ডেসটিনির গ্রাহকদের মতো হবে বলে আশঙ্কা করেন বিক্ষোভকারীরা। তবে পুলিশের সহায়তায় আদালত চত্ত্বরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এসময় একজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

জানা যায়, এরআগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে আরিফ বাকের নামে এক ব্যক্তি গুলশান থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে অভিযোগকারী আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা চলতি বছরের মে ও জুন মাসে কিছু পণ্য অর্ডার করেন। পণ্যের অর্ডার বাবদ বিকাশ, নগদ ও সিটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে সম্পূর্ণ পরিশোধ করেন তারা। পণ্যগুলো সাত থেকে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে ডেলিভারির কথা ছিল। এছাড়া নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠান সমপরিমাণ টাকা ফেরত দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল। কিন্তু ওই সময়সীমার মধ্যে পণ্যগুলো ডেলিভারি না পাওয়ায় বহুবার ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধিকে ফোন করা হয়। সর্বশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর যোগাযোগ করে অর্ডার করা পণ্যগুলো পাওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন বাদী ও তার বন্ধুরা। পরে আবার বাদীরা ইভ্যালির ধানমন্ডি অফিসে এমডি রাসেলের সাথে কথা বলতে গেলে অফিসের কর্মচারীসহ এমডি রাসেল তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেন। পণ্য বা টাকা কিছুই দিতে অস্বীকৃতি জানান।

এ মামলার অভিযোগে পরদিন গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে আসামি রাসেলের মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে ও তার স্ত্রী শামীমাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এছাড়া সেদিনই মামলাটির এজাহার আদালতে আসে। এরপর ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নুর মামলার এজাহারটি গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২১ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এছাড়া গত ১৫ জুলাই দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ ইভ্যালির রাসেল ও শামীমা নাসরিনের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেন।

ডি-এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়