নিউজ ফ্ল্যাশ

আগের সংবাদ

নিউজ ফ্ল্যাশ

পরের সংবাদ

সোনাগাজী পৌর নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের দায়ে আটক ৯

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১ , ৩:৫২ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১ , ৩:৫৩ অপরাহ্ণ

ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভা নির্বাচনের এজেন্ট বের করে দেয়াসহ কেন্দ্র দখলের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া প্রথমবারে ইভিএম মেশিনে ভোট দিতে এসে ব্যাপক বিড়ম্বনায় শিকার হচ্ছেন ভোটাররা। এ নিয়ে অস্বস্তিতে আছেন ভোটগ্রহণের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারাও।

এদিকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আবু নাসের অভিযোগ করেছেন, বাইরে নিরাপত্তা জোরদার থাকলেও কেন্দ্রের ভিতরে একজনের ভোট অন্যজন দিচ্ছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টসহ অন্য এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দিচ্ছে আ.লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা বহিরাগত সমর্থকরা। এ ঘটনায় মঙ্গলকান্দি ইউপি সদস্য হোনামিয়া, ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী জামাল উদ্দিন, শেখ মামুন, শেখ মামুনের স্ত্রী শিল্পি আক্তার, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী শেখ রয়েল ও জহির উদ্দিনসহ ৯জনকে আটক করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, সোনাগাজী পৌরসভায় মোট ভোটার ১৫ হাজার ৯৮৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ হাজার ১২৭ জন ও নারী ভোটার ৭ হাজার ৮৫৮ জন। সর্বমোট ৯ টি কেন্দ্রের ৪৯ টি বুথে ভোটাররা তাদের ভোট প্রয়োগ করছেন।

নির্বাচনে মেয়র পদে ৪ জন লড়ছেন। এতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভেকেট রফিকুল ইসলাম খোকন। এছাড়া আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু নাসের, শেখ সেলিম ও ইসলামী আন্দোলন মনোনীত হাত পাখা মার্কার প্রার্থী হাফেজ মাওলানা হিজবুল্লাহ। আর ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৪ জন।

সোনাগাজী মো. ছাবের পাইলট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার লাইনে দাঁড়ানো খোদেজা আক্তার জানান, তিনিসহ মহিলারা প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। খুব ধীর গতিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে এবং ইভিএম মেশিনে কিভাবে ভোট দিতে হয় তা জানিনা। ভোটের আগে ইভিএম প্র্যাকটিস জরুরি ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

সোনাগাজী মো. ছাবের পাইলট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, নৌকার এজেন্টরা ভোট কক্ষের গোপন ব্যালট রুমে অবস্থান নিয়েছেন।

নৌকার এজেন্ট জাকির হোসেন জানান, ভোটারদের সহযোগিতার জন্যে বারবার গোপন কক্ষে আসতে হচ্ছে। ভোটাররা ফ্রিঙ্গার প্রিন্ট দেয়ার পর সহযোগিতার জন্য আমরা এ কক্ষে রয়েছি। আবদুল কাদের নামের এক ভোটার জানান, তিনি মোবাইল ফোন মার্কায় ভোট দিতে চাইলে ভেতরে থাকা এজেন্টের লোকটি আমাকে সহযোগিতার কথা বলে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দেন।

সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জহিরুল হায়াত সাংবাদিকদের বলেন, ইভিএমে ভোট দেওয়ার বিষয়ে নানাভাবে প্রচারণা চালানো হয়েছে। তারপরও কোনো ভোটার কিছু না বুঝলে সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারের সহায়তা নিতে পারেন। কোন প্রার্থীর এজেন্ট গোপন কক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না।

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের জন্য এক জন করে নির্বাহী মেজিস্ট্রেট নিযুক্ত করা হয়েছে।পাশাপাশি রয়েছে র‌্যাব ও বিজিবির একাধিক স্ট্রাইকিং ফোর্স।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়