নেপালিদের চোখে শের-ই-বাংলা তামিম

আগের সংবাদ

আচরণবিধি লঙ্ঘন: সাংসদ জাফরকে ইসি’র চিঠি

পরের সংবাদ

শেষ ওভারে ম্যাচ খোয়াল টাইগার যুবারা

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১ , ১১:৪৮ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১ , ১১:৪৮ অপরাহ্ণ

আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে আগেই দাপট দেখিয়ে সিরিজ জিতেছিল টাইগার যুবারা। প্রথম তিন ওয়ানডে ম্যাচে জয় তুলে যেন যুব বিশ্বকাপ জয়ী আকবরদের যোগ্য উত্তরসূরির দাবিদার হচ্ছিল মেহেরাবরা। কিন্তু শেষ দুই ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি নওরোজরা। চতুর্থ ম্যাচে ১৯ রানে হারের পর শেষ ম্যাচে হেরেছেন ৩ উইকেটে।

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশের যুবারা গুটিয়ে যায় মাত্র ১৫৫ রানে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে তিন উইকেট হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্য পৌঁছে যায় আফগানরা। অবশ্য এ হারেও ওয়ানডে সিরিজটি টাইগার যুবারা শেষ করেছে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে। সিরিজে একমাত্র টেস্ট ম্যাচটিতে দুই দল সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে হতাশ করলেও টাইগার যুবারা বোলিংয়ে জয়ের আশা জাগিয়ে ছিল। ১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৪ রানে ২ উইকেট হারায় সফরকারীরা। তবে তৃতীয় উইকেটে ৪৯ রান যোগ করে দলকে জয়ের রাস্তায় তোলেন ইশহাক জাজাই ও মোহাম্মদ নাজিবউল্লাহ। দলীয় ৭৩ রানে সাজঘরে ফেরার আগে ১৪ রান করেন নাজিবউল্লাহ। এরপর বেশি কিছু করতে পারেননি বিলাল আহমেদ, আউট হন ২ রানে। দলীয় সংগ্রহটা একশ ছোঁয়ার ঠিক আগে ইশহাক জাজাইকে ফেরান আশিকুর জামান। আউট হওয়ার আগে ইশহাকের ব্যাট থেকে আসে ম্যাচের সর্বোচ্চ ৫২ রানের ইনিংস। দলীয় ৯৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে খানিক চাপে পড়ে আফগানরা। তাদের বিপদ আরো বাড়ে ইনিংসের ৩৬তম ওভারে ১০৬ রানের মাথায় ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটলে।

এরপর রয়ে-সয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক ইজাজ আহমেদ ও ইজহারুল হক নাভিদ। এ দুজনের সপ্তম উইকেট জুটিতে আসে ৪৩ রান। মূলত এ জুটিতেই জয়ের সুবাতাস পায় আফগানরা। ইনিংসের ৪৯তম ওভারের শেষ বলে জয়ের জন্য ৭ রান বাকি থাকতে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক ইজাজ। তার ব্যাট থেকে আসে ৭৭ বলে ৩২ রান। ফলে শেষ ওভারে বাকি থাকে ৭ রান। শেষ ওভারটি করেন ততক্ষণে ৩ উইকেট নেয়া আশিকুর। তার প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান ইজহারুল। পরে তৃতীয় বলে চার মেরে নিশ্চিত করেন দলের জয়।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বরাবরের মতো এবারো শুরুটা খারাপ ছিল না। কিন্তু সিরিজের নিয়মিত ঘটনা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়া, সেটা হয়েছে এই ম্যাচেও। মাহফিজুল ইসলাম (১১) আর ইফতেখার হোসেন (২৬) উদ্বোধনী জুটিতে তুলেছিলেন ৪৮ রান। ১২তম ওভারে এই জুটি ভাঙার পরই দুর্দশার শুরু। আফগান বোলারদের তোপে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। সর্বোচ্চ ৩৭ রান আসে আবদুল্লাহ আল মামুনের ব্যাট থেকে। অতিরিক্ত খাতা থেকে ২৬ রান যোগ না হলে লজ্জাটা বাড়তো আরও। আফগান বোলারদের মধ্যে বিলাল সামি আর নানগেয়ালিয়া খারোতে নিয়েছেন ৩টি করে উইকেট।

রি-এসএস/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়