নতুন বরের সঙ্গে মাহির খুনসুটি

আগের সংবাদ

আবরার হত্যায় আসামিদের ফের নির্দোষ দাবি

পরের সংবাদ

যমুনা সারকারখানার ৬১ শ্রমিকের চুক্তি বাতিল, বিক্ষোভ

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ , ৪:৩২ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ , ৪:৩২ অপরাহ্ণ

জামালপুরের সরিষাবাড়ীর তারাকান্দিতে অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ ইউরিয়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানার (জেএফসিএল) খণ্ডকালীন ৬১ শ্রমিক বাতিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন কর্মসূচি করেছে শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্চেম্বর) সকালে কারখানা এলাকা চত্ত্বরে এ কর্মসূচি করেন ভুক্তভোগি ও অন্য শ্রমিকরা। এ সময় কারখানা চত্ত্বরে পুলিশ ও র‌্যাব এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে সরিষাবাড়ী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর রকিবুল হক ও ঠিকাদার কাউন্সিলর সাখাওয়াত আলম মুকুল কারখানা কতৃপক্ষের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিষয়টি নিয়ে মিমাংশার কথা বলবেন বলে তাদের আশস্ত করলে শ্রমিকেরা ২৪ ঘণ্টার জন্য সকল কর্মসূচি তুলে নেন।

ভুক্তভোগী শ্রমিক, কারখানা ও ঠিকাদার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কারখানার দৈনিক মুজুরি ভিত্তিতে চুক্তি ভিত্তিক ৪২৫ জন এবং খণ্ডকালীন ৬১জন শ্রমিক কাজ করে আসছিল। কিন্তু গত ২৯ আগস্টে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জান্নাত এন্টারপ্রাইজকে, কারখানার মহাব্যবস্থাপক প্রশাসন মোহাম্মদ মঈনুল হক এর সাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, বিশেষ অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কতৃক আপত্তি হওয়ায় সম্পাদিত চুক্তি নামার ৮, ৯, ১০, ১৬ ও ৩২ নং শর্ত এবং দরপত্র বিজ্ঞপ্তির ১৭, ১৮, ১৯, ২৫ ও ৪১ নং শর্তে আগামী ১৫দিনের মধ্যে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ এবং (কাজ নাই মজুরি নাই ভিত্তিতে) চুক্তিবদ্ধ ৪২৫ জন এর অতিরিক্ত কোন দৈনিক ভিত্তিক শ্রমিকের মজুরি প্রদানের আবেদন না করার জন্য অবহিত করা হয়। এবং খণ্ডকালিন ৬১জনকে বাদ দিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করে কারখানা কতৃপক্ষ। তারপর থেকেই ঠিকাদার কারখানা কতৃপক্ষের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করা সময়ে বিষয়টি শ্রমিকদের মাঝে প্রকাশ পেলে এ বিক্ষোভ করেন তারা।

এ বিষয়ে ঠিকাদার কাউন্সিলর সাখাওয়াত আলম মুকুল বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ আমার সঙ্গে কোন আলোচনা না করেই ৬১জন খণ্ডকালীন শ্রমিক বাদ দিয়ে দেয়। এতে কারখানায় বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত শ্রমিকদের প্রতি অমানবিক আচরণ করা হয়েছে। আমি এ সিদ্ধান্তকে দ্রুত বাতিলের দাবি জানাই।

এ বিষয়ে কারখানার মহাব্যবস্থাপক প্রশাসন মোহাম্মদ মঈনুল হক বলেন, দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিক রয়েছে ৪৮৬ জন এর মধ্যে আমাদের অনুমোদন আছে ৪২৫ জন, অনুমোদনের বাইরে ৬১ জন বেশি আর এই বেশিটা আমরা বাদ দিয়ে দিয়েছি। অনুমোদন যেটা আছে তার বাইরে আমরা যেতে পারবো না। অনুমতিহীন হয়ে এতোদিন কিভাবে তারা চাকরি করলো প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আগের ম্যানেজমেন্ট কি করেছে বাকি ভাবে করছে সেটা আমার জানা দরকার নাই। আমাদের এখন ইনস্টাকশন আছে কোন ভাবেই ৪২৫ জনের বাইরে আমরা প্রেমেন্ট করতে পারবো না।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়