সরকারি সিদ্ধান্তে পুঁজিবাজারে তহবিল: অর্থমন্ত্রী

আগের সংবাদ

সাত চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

পরের সংবাদ

উপবৃত্তির টাকা আত্নসাতের অভিযোগ

ইউএনও, অধ্যক্ষসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ , ৫:৩৪ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ , ৫:৩৪ অপরাহ্ণ

শিক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করে উপবৃত্তির টাকা আত্নসাতের অভিযোগের বিষয়টি কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় অবশেষে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর এফ. হক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, সভাপতি, ইউএনওসহ ১৬ জন শিক্ষক-কর্মচারীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করে শতাধিক শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা আত্নসাতের অভিযোগে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পক্ষে স্থানীয় রিপন মিয়া নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে সিনিয়র সহকারী জজ (সুন্দরগঞ্জ) গাইবান্ধার আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবি এ্যাডভোকেট মো. নুরুল ইসলাম প্রধান।

মামলায় মূল আসামি করা হয়েছে, চন্ডিপুর এফ. হক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. মোজাম্মেল হক, পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আমিন হোসেন, অফিস সহকারী ফিরোজ কবির ও সহকারী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রশিদ, মোজাহিদুল সরকার, সাইফুল্লা এবং হাবিবুর রহমান।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে চন্ডিপুর এফ. হক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির তালিকায় নাম ও তথ্য ঠিক থাকলেও কৌশলে মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করেন সাবেক অধ্যক্ষ ও সাবেক সভাপতিসহ কতিপয় শিক্ষক-কর্মচারী। পরে এসব শিক্ষার্থীর কয়েক কিস্তিতে মোবাইল একাউন্টে আসা (গত দেড় বছর) উপবৃত্তির মোট ৪ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেন তারা।

ঘটনার প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগের পর সরেজমিন তদন্তে উপবৃত্তি আত্মসাতসহ অধ্যক্ষ ও শিক্ষক-কর্মচারীদের জড়িত থাকার প্রামাণও পায় উপজেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। কিন্তু দীর্ঘদিনেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও শিক্ষা অধিদপ্তর জড়িতদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নেয়নি। এমনকি উপবৃত্তির টাকা ফেরতও পায়নি ভুক্তভোগি শিক্ষার্থীরা।

তিনি আরও জানান, মোবাইল নাম্বার পরিবর্তনের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতে জড়িতদের বিচার ও ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরতের দাবিতে আদালতে প্রতিনিধিত্ব মূলক মামলা করেন রিপন মিয়া। আগামী ৭ অক্টোবর মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এরআগে গত ৩০ জুন বিবাদী সাবেক অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ প্রেরণ করা হলেও তিনি কোন জবাব দেননি।

এছাড়া মামলায় সহযোগী আসামি করা হয়েছে, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সোনালী ব্যাংক শাখার সুন্দরগঞ্জ ব্যবস্থাপক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর অঞ্চলের কর্মকর্তা, চেয়ারম্যান মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড দিনাজপুর ও পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

রি-এফজে/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়