‘থ্যাংক ইউ পিএম’ প্রচারাভিযান শুরু

আগের সংবাদ

সেমিতে সাকারির প্রতিপক্ষ এমা

পরের সংবাদ

হতাশ করল বাংলাদেশের মেয়েরা

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ , ১০:৪৪ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ , ১০:৪৪ অপরাহ্ণ

নারী এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে খেলার আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে নেপাল যায় বাংলাদেশ নারী দল। নেপালের বিপক্ষে বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথমটিতে মাঠে নামে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। দেশটির রাজধানী কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে হয় ম্যাচটি। তবে এ ম্যাচে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল পায়নি বাংলাদেশ। হিমালয় কন্যাদের বিপক্ষে তারা ম্যাচটি হেরে গেছে ২-১ গোলের ব্যবধানে। ম্যাচের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ দুটি গোল হজম করে। ফলে প্রথমার্ধেই ম্যাচ থেকে অনেকটা পিছিয়ে যায় বাংলাদেশ। ম্যাচের ৮৩ মিনিটের সময় তহুরা খাতুন একটি গোল করে বাংলাদেশকে অন্তত ড্র করার স্বপ্ন দেখান। ম্যাচটি ড্র করার জন্য শেষ দিকে মরিয়া হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। তারা তাদের আক্রমণ বাড়িয়ে দেন বহুগুণ। এমনকি ম্যাচের শেষ দিকে বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগও পেয়ে যান সাবিনারা। কিন্তু ফিনিশিংয়ের অভাবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে গোলাম রব্বানি ছোটনের শিষ্যদের। নারী দলের ম্যাচ হলেও বাংলাদেশ-নেপালের এ ম্যাচ উপভোগ করতে এসেছিলেন বিপুল সংখ্যক দর্শক। নেপালে করোনার কারণে স্টেডিয়ামে দর্শকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু এখন দর্শকদের মাঠে আসার অনুমতি দেয়া হয়েছে। আর তাই দীর্ঘদিন পর স্টেডিয়ামে বসে খেলার সুযোগটি হাতছাড়া করেননি দর্শকরা।

এ ম্যাচের আগে নেপালের মেয়েদের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েরা ছয়টি ম্যাচ খেলেছে। ছয়টি ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই জয় তুলে নিয়েছে নেপাল। আর বাকি একটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। হিমালয় কন্যাদের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েদের এটিই সবচেয়ে বড় সাফল্য। গতকালও ফের হারতে হলো তাদের। ফলে এখন নেপালের বিপক্ষে হারের পাল্লাটা আরো ভারী হলো। দুই দল আগামীকাল প্রীতিম্যাচের দ্বিতীয় ও শেষটিতে খেলতে নামবে। এখন এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে খেলতে নামার আগে সুখস্মৃতি নিয়ে যাওয়ার এটিই তাদের শেষ সুযোগ। বাংলাদেশ এ সুযোগ কাজে লাগাতে পারবে বলে এটিই সবার প্রত্যাশা।

নেপাল ও বাংলাদেশের মেয়েদের মধ্যে র‌্যাঙ্কিংয়েও রয়েছে বেশ বড় পার্থক্য। ফিফার সর্বশেষ প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী দেশটির নারী দলের অবস্থান ১০১। অন্যদিকে বাংলাদেশের মেয়েরা রয়েছে ১৩৭তম স্থানে। ফলে দুই দেশের মধ্যে র‌্যাঙ্কিংয়ের ফারাক ৩৬। র‌্যাঙ্কিংয়ে এত ব্যবধান থাকলেও বাংলাদেশের বিপক্ষে তারা খুব বেশি প্রভাব দেখাতে পারেনি। তবে নেপালের মেয়েরা প্রথমার্ধেই দুটি গোল তুলে নেয়ায় তারা মানসিকভাবে কিছুটা শক্ত অবস্থানে পৌঁছে যায়। অন্যদিকে দুটি গোল হজম করে বাংলাদেশ কিছুটা ভড়কে যায়। যদিও তারা ম্যাচে ফেরার সব রকমের চেষ্টা করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর এ চেষ্টায় সফল হয়নি।

এদিকে দুই দলের প্রথম ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে ভালো ফলাফলের প্রত্যাশার কথা বলেছিলেন বাংলাদেশ দলের কোচ গোলাম রব্বানি ছোটন। সংবাদ সম্মেলনে নিজের শিষ্যদের শক্তি, সামর্থ্য ও প্রত্যাশা নিয়ে কথা বলেন তিনি। সে সময় তিনি জানান, দল ভালো করবে কারণ দলের খেলোয়াড়রা ভালো কিছু করবে। অবশ্য বাংলাদেশ যে একদম খারাপ খেলেছে, সেটিও বলা যায় না। বলা যায় ভাগ্য খারাপ হওয়ার কারণেই ম্যাচে হারতে হয়েছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়