সোনারগাঁওয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হতে চান আ.লীগের ৭জন

আগের সংবাদ

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা নেওয়ার ভাবনা

পরের সংবাদ

সাবেকদের কাঠগড়ায় ব্যাটসম্যানরা

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১ , ১০:২০ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১ , ১০:২০ অপরাহ্ণ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে টাইগাররা হেরেছে ৫২ রানে। এ হারের ফলে সিরিজে এখনো লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। বুধবার সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে কিউইদের বিপক্ষে ফের মাঠে নামবে রাসেল ডমিঙ্গোর শিষ্যরা। ঘরের মাঠে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বাহিনী চেনা উইকেটে তৃতীয় ম্যাচে প্রতিপক্ষের ১২৮ রানের জবাবে খেলতে নেমে মাত্র ৭৬ রানে গুটিয়ে গেছে। মিরপুর শেরে-বাংলা স্টেডিয়ামে গত মাসে অস্ট্রেলিয়াকে বাংলাদেশ সিরিজে হারিয়েছে হেসে খেলেই। ক্রিকেট পরাশক্তিদের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে জয়ের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও প্রথম দুই ম্যাচে সফলতার মুখ দেখে টাইগাররা। কিন্তু রবিবার বিপত্তি ঘটে কিউইদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে। ওই দিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ১৯.৪ ওভারে মাত্র ৭৬ রানেই থামে টাইগারদের ইনিংস। যা ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বাংলাদেশের সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড। তবে এই ম্যাচে হারলেও র‌্যাঙ্কিংয়ে কোনো অবনতি হয়নি রাসেল ডমিঙ্গোর শিষ্যদের। সোমবার ভোরের কাগজের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হারের পোস্টমর্টেম করতে গিয়ে জাতীয় দলের সাবেক দুই ক্রিকেটার খালেদ মাসুদ পাইলট এবং অলক কাপালি টাইগার ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচকে দায়ী করেছেন।
খালেদ মাসুদ পাইলট বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে সফলতম উইকেট রক্ষক। ডানহাতি ব্যাটসম্যান ও উইকেটরক্ষক। টেস্ট ও ওয়ানডে উভয় ক্ষেত্রেই সফলতার সঙ্গে খেলেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে পাইলটের অভিষেক ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে। এর আগে ১৯৯৫ সালের ৫ এপ্রিল ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে-তে অভিষেক ঘটে। ২০০৭ সালের ২৮ জুন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ টেস্ট এবং ২০০৬ সালের ৫ ডিসেম্বর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেন তিনি।

ক্যারিয়ারে ৪৪টি টেস্টে ১ সেঞ্চুরি ও ৩ হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১ হাজার ৪’শ ৯ রান করেন পাইলট। আর ১২৬টি ওয়ানডে ম্যাচে ৭টি হাফ সেঞ্চুরিতে ১ হাজার ৮’শ ১৮ রান করেন তিনি। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর নিলেও কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এ তারকা ক্রিকেটার। ক্রিকেট ছাড়াও টেলিভিশনে কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছেন খালেদ মাসুদ পাইলট।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে হার সম্পর্কে সোমবার ভোরের কাগজকে খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, কিউইদের বিপক্ষে টাইগারদের হারের অন্যতম কারণ হচ্ছে ব্যাটিং ব্যর্থতা। আমাদের ব্যাটসম্যানরা বাজে শট খেলে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছে। কারো মধ্যে দায়িত্ব নিয়ে খেলার প্রবণতা দেখা যায়নি। নিউজিল্যান্ডের শুরুটাও ভালো হয়নি। ওরা ১০.৫ ওভারে ৬২ রান তুলতে নিয়ে ৫ উইকেট হারিয়েও ধৈর্য হারায়নি। ষষ্ঠ উইকেটে হেনরি নিকোলাস ও টম ব্লান্ডেল অপরাজিত ৬৬ রানে পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। যা ম্যাচের চেহারা পাল্টে দিয়েছে। চেনা উইকেটে আমাদের ব্যাটসম্যানরা কিউই স্পিনারদের শক্তহাতে মোকাবিলা করতে পারেনি। আমি আশাবাদী পরের ম্যাচে ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে টাইগাররা ঘুরে দাঁড়াবে।

টি-টোয়েন্টিতে আর উইকেট কিপিং করবেন না মুশফিক এ বিষয়ে ভোরের কাগজকে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার পাইলট বলেন, দলের তিনজন উইকেটকিপার রয়েছে। কে কোথায় খেলবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে টিম ম্যানেজমেন্ট। সোহান কিপিং করলেই ভালো। লিটন এবং মুশফিক ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিলে দলের জন্য মঙ্গল।
অলক কাপালিকে বাংলাদেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে প্রতিভাবান ও স্টাইলিশ ক্রিকেটার হিসেবে ধরা হয়। মূলত ডানহাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হলেও নান্দনিক লেগব্রেক বোলিংয়ে নিজের পারদর্শিতা প্রমাণ করেছেন অনেকবার। ১৯৮৪ সালের ১ জানুয়ারি সিলেট শহরে অলকের জন্ম। টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেটে ২০০২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক মাত্র ১৮ বছর বয়সে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হন ২০০২ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হোম সিরিজে ৩য় ওয়ানডেতে ১০ চারের মাধ্যমে ৯২ বলে ৮৯ রানের লড়াকু এক ইনিংস খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের জাত চেনান। একই সিরিজের ১ম টেস্টে ৫২ এবং ২য় টেস্টে ৮৫ রানের নান্দনিক এক ইনিংসও উপহার দেন। ২০০৩ সালের ২৯ আগস্ট পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩ ম্যাচ টেস্ট সিরিজের ২য় টেস্টে সাব্বির আহমেদ, দানিশ কানেরিয়া ও উমর গুলকে আউট করে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে মাত্র ১৯ বছর ২৪০ দিন বয়সে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন অলক কাপালি। ৩ ডিসেম্বর ২০০৮ সালে এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ৮৫ বলে দৃষ্টিনন্দন এক সেঞ্চুরি হাঁকান। ছয় নম্বরে ব্যাট করে ৯৬ বলে ১১৫ রান করেছিলেন অলক কাপালি ছিল ৫টি ছয় ও ১০টি চারের মার। ভারতের সঙ্গে সেটিই ছিল টাইগারদের প্রথম শতক।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) কিউইদের বিপক্ষে টাইগারদের হারের কারণ সম্পর্কে ভোরের কাগজকে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার অলক কাপালি বলেন, আমরা যদি নরমালি খেলতাম, তাড়াহুড়া না করতাম তা হলে ১২৮ রান চেজ করা কঠিন ছিল না। আমাদের ব্যাটসম্যানদের শট নির্বাচন সঠিক ছিল না। তা ছাড়া অতিরিক্ত আত্মবিশ^াস আমাদের ডুবিয়েছে। খেলায় জয়-পরাজয় থাকবে। আমার কাছে মনে হচ্ছে এটি একটি দুর্ঘটনা। পরের ম্যাচে টাইগাররা দুর্দান্ত কামব্রেক করবে। চতুর্থ ম্যাচে সাকিব মালিঙ্গার রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়তে সক্ষম হবে।
মুশফিকের কিপিং না করা প্রসঙ্গে জাতীয় দলের সাবেক এ ক্রিকেটার বলেন, শ্রীলঙ্কা দলে সাঙ্গাকারা অনেক দিন কিপিং করেছেন। তাকে যখন কিপিং থেকে সরিয়ে দেয়ার পর সে ব্যাটিংয়ে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছে। আমি মনে করি মুশফিকুর রহিম অনেক দিন কিপিং করেছে এখন সে ব্যাটিং পুরো মনোযোগ দিলে আরো ভালো করবে। সে একজন দুর্দান্ত ব্যাটসম্যান সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

কিউইদের বিপক্ষে হারের পর ম্যাচের পোস্টমর্টেম করতে গিয়ে বাংলাদেশের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলেছেন, ব্যাটে-বলে সব বিভাগেই দারুণ খেলে জিতে নেয় কিউইরা। তাইতো হার মেনে নিলেও ম্যাচ শেষে হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি। ডমিঙ্গোর কথায় সব ম্যাচেই তো আর জয় আসবে না। এটা সর্বোচ্চ পর্যায়ের পেশাদার ক্রিকেট। বিপক্ষও তাদের সেরাটা খেলবে। যেমনটি এদিন খেলেছে, অবশ্যই আমরা সব বিভাগে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরেছি। তারা দারুণ স্মার্ট ক্রিকেট খেলেছে। হারে আমি হতাশ, কিন্তু মেনে নিচ্ছি, এটাই ক্রিকেট।

ত্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মন্থর গতির ও নিচু বাউন্সের পিচে টাইগার ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ ঠিক ছিল না। কিন্তু বাংলাদেশের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো তা মানতে নারাজ। তিনি বলেছেন, আমার মনে হয় না ব্যাটিং অ্যাপ্রোচে কোনো সমস্যা ছিল। আমরা চেষ্টা করেছি যাতে রানরেটে এগিয়ে থাকতে পারি। কারণ রানরেটে পিছিয়ে পড়লে সেটা ধরা কঠিন। আমরা তাই দারুণ ইতিবাচকভাবেই শুরু করতে চেয়েছি। কিন্তু এক ধাক্কায় কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ফেলায় রানের পেছনে ছোটা সম্ভব হয়নি, মনে করছেন টাইগার কোচ। তার ভাষায়, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ফেলি এক ঝটকায়। নতুন ব্যাটসম্যানের উইকেটে এসেই খেলা কঠিন ছিল। এটাই মনে হয় মূল কারণ। ভালো একটা শুরুর পর ৪-৫ ওভারের মধ্যে ৪-৫টি উইকেট হারিয়ে ফেলি আমরা। তাতেই বড় ধাক্কা খাই।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য যে ১৯ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, সেখানে উইকেটরক্ষক আছেন তিনজন। মুশফিক, লিটন দাস আর সোহান। বাকি দুজন না থাকায় জিম্বাবুয়ে আর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়ন্টি সিরিজে দক্ষতার সঙ্গে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন সোহান। এবার কিউই সিরিজের আগে প্রশ্ন ওঠে এই দায়িত্ব পালন করবেন কে?

সে সময় দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানিয়েছিলেন, লিটনকে দেখা যাবে না গ্লাভস হাতে। পাঁচ ম্যাচের শুরুর দুই ম্যাচ কিপিং করবেন সোহান, পরের দুই ম্যাচে গ্লাভস উঠবে অভিজ্ঞ মুশফিকের হাতে। এই চার ম্যাচের পারফরমেন্স বিবেচনায় পঞ্চম ও শেষ ম্যাচের উইকেটরক্ষক নির্বাচন করবে টাইগার টিম ম্যানেজমেন্ট। কিউইদের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচের পর জানা গেল টি-টোয়েন্টিতে আর উইকেট কিপিং করবেন না মুশফিক। এ বিষয়ে রাসেল ডমিঙ্গো বলেন, মুশফিকের সঙ্গে আলোচনার পর পরিবর্তন এসেছে। দ্বিতীয় ম্যাচের পর তার কিপিং করার কথা। সে আমাকে বলেছে, টি-টোয়েন্টিতে আর কিপিং করতে চায় না। আমাদের তাই এটা মেনে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আমার মনে হয় না মুশফিকের আর এই ফরম্যাটে কিপিং করার তেমন ইচ্ছা আছে। আমরা তাই সোহানের দিকে মনোযোগ রাখছি এবং তাকেই কিপিংয়ের দায়িত্ব দিতে যাচ্ছি।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অন্যতম সেরা ক্রিকেটার। রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১০০তম ম্যাচ খেলে এক অনন্য নজির গড়েছেন তিনি। তৃতীয় ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন কিউই অধিনায়ক টম লাথাম। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১২৮ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড। ক্যারিয়ারের সেঞ্চুরি ম্যাচে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি টাইগার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বল হাতে ২ ওভারে ১০ রান দিয়ে রাচিন রবীন্দ্রের উইকেট তুলে নিলেও ব্যাট হাতে ছিলেন চরম ব্যর্থ। আগের ম্যাচে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা মাহমুদউল্লাহ রবিবার ৭ বল মোকাবিলা করে ৩ রান করে এজাজ প্যাটেলের বলে হেনরি নিকোলাসের হাতে তালুবন্দি হন। ২০০৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর লাল-সবুজ জার্সিতে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় মাহমুদউল্লাহর। এরপর ১৪ বছরে খেলেছেন ১০০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। ২০১৫ সালের নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের খেলা ৬৬টি টি-টোয়েন্টির ৬৫টিই খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এ বছরের নিউজিল্যান্ডের সফরে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিটা খেলতে পারেননি চোটের কারণে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের খেলা ১১০ ম্যাচের মাত্র ১১টি ম্যাচই খেলতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ, যার একটি অবশ্য তার অভিষেকের আগের। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টির ইতিহাসের প্রথম ম্যাচটি তার খেলা হয়নি। খেলেছেন বছরখানেক পরে হওয়া দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি। সেই থেকে এই ফরম্যাটে এক প্রকার হাত ধরাধরি করেই চলছে বাংলাদেশ দল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের পথচলা। রবিবার দল হিসেবে বাংলাদেশ যখন নিজেদের ১১০তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নামে। মাহমুদউল্লাহ বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার তো বটেই, ম্যাচ সংখ্যায় তিন অঙ্কের মাইলফলক স্পর্শে তিনি বিশে^র অষ্টম ক্রিকেটার। কিউইদের বিপক্ষে হারের পর খেলা শেষে ম্যাচের পোস্টমর্টেম করতে গিয়ে টাইগার অধিনায়ক বলেন, বোলাররা কিউইদের ১৩০-র নিচে আটকে রেখে বেশ ভালো পারফরমেন্স দেখিয়েছে।

নিজ দলের ব্যাটিংয়ের কথা বলতে গিয়ে রিয়াদ জানান, তাদের শুরুটা ভালোই হয়েছিল। কিন্তু তা কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। টাইগার দলপতির ভাষায়, আমরা অল্প বিরতিতে বেশ কিছু উইকেট হারিয়ে ফেলি। তবে আশাভঙ্গের বেদনায় কাতর নন মাহমুদউল্লাহ। এখনো দুই ম্যাচ বাকি। রিয়াদের আশা, এ ভুলত্রুটি কাটিয়ে তার দল ঘুরে দাঁড়াবে এবং পরের দুই ম্যাচে ঠিক ভালো খেলবে।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়