ভর্তি বাণিজ্য: মতিঝিল আইডিয়ালের কর্মকর্তা আতিককে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

আগের সংবাদ

ফেসবুক ইউটিউব নিয়ে অসহায় বিটিআরসি

পরের সংবাদ

সাবরিনা-আরিফদের মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য ২৬ সেপ্টেম্বর

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১ , ৭:০৪ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১ , ৭:০৪ অপরাহ্ণ

করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও তার স্বামী আরিফুল চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন। সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরীর আদালত এ দিন ধার্য করেন।

এদিন কারাগারে আটক আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। কিন্তু সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য সময়ের আবেদন করেন। এরপর আদালত আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

এ মামলার বাকি আসামিরা হলেন- আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। আট আসামির মধ্যে সাবরিনা ও তার স্বামী আরিফকে ভুয়া রিপোর্ট প্রদানে প্রতারণা ও জালিয়াতির মূল হোতা এবং বাকিরা সহযোগী বলে অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে।

আলোচিত এ মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২০ সালের ২৩ জুন করোনার ভুয়া সনদ দেয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে আরিফুল চৌধুরীসহ ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। আসামিরা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি হেলথকেয়ার ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয় যার অধিকাংশ ভুয়া। এ অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়া হয়। এরপর তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়। পরে ১২ জুলাই আরিফুলের স্ত্রী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে জিঙ্গাসাবাদের পর তাকেও গ্রেফতার করা হয়।

একই বছরের ৫ আগস্ট প্রতারণার মামলায় সাবরিনাসহ আরেক সহযোগীকে যুক্ত করে আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। পরে ২০ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

তবে ভুয়া রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ বাদে রাজধানীর মহাখালীর তিতুমীর কলেজে নমুনা সংগ্রহের বুথ বসিয়ে সেখানে প্রশিক্ষণের নামে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে রয়েছে সাবরিনা-আরিফুলের বিরুদ্ধে।

ডি-আরআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়