শিশুপুত্রকে বিচারকের অস্ত্র চালনার ট্রেনিং, ভিডিও ভাইরাল

আগের সংবাদ

সাবরিনা-আরিফদের মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য ২৬ সেপ্টেম্বর

পরের সংবাদ

ভর্তি বাণিজ্য: মতিঝিল আইডিয়ালের কর্মকর্তা আতিককে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১ , ৬:৩৪ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১ , ৬:৩৪ অপরাহ্ণ

‘ভর্তি বাণিজ্যের’ মাধ্যমে ১১০ কোটি টাকার ‘অবৈধ’ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও উপসহকারী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আতিকুর রহমান সাংবাদিকদের সামনে দাবি করেন, তার কোনো অবৈধ সম্পদ নেই। তার যেসব সম্পদ আছে তা তিনি ডেভলপার কোম্পানি থেকে ব্যবসার মাধ্যমে বৈধভাবে অর্জন করেছেন।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমার বাবা কৃষক, আমি কৃষকের ছেলে। আমার কোনো অবৈধ সম্পত্তি নেই। যা আছে ডেভলপার ব্যবসা থেকে অর্জিত। বনশ্রী ও আফতাবনগরে যে বাড়ি, সেটা আমার নয়, ডেভপলপার কোম্পানির নামে। এক প্রশ্নের জবাবে আতিকুর বলেন, স্কুলে ভর্তি বাণিজ্যের যে অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে, এটা আমার কাজ না, অন্য কেউ করে থাকতে পারে। আমি চুক্তিভিত্তিক চাকরি করি। আমি প্রশাসনিক কর্মকর্তা নই।

দুদক সূত্রে জানা যায়, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও উপসহকারী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান খানসহ একটি সিন্ডিকেট ভর্তি বাণিজ্য, নিয়োগ ও নির্মাণকাজের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কমিশন তা অনুসন্ধান করতে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলমকে দায়িত্ব দেয়।

অনুসন্ধানে নেমে আতিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তির সহায়তায় নানা অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের তথ্য-উপাত্ত পান অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা। এরপরই অভিযুক্ত ব্যক্তি যেন বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন সেজন্য দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮ আগস্ট ঢাকা মহানগর আদালত তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

আদালতে দাখিলকৃত অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়েছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা আতিকুর রহমান খানের নামে সাউথইস্ট ব্যাংকে ২৬টি, প্রাইম ব্যাংকে ২৯টি, ঢাকা ব্যাংকে ১০টি, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ১০টি ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকে তিনটিসহ মোট ১৫টি ব্যাংকের ৯৭টি হিসাবে ছয় বছরে ১১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এছাড়া তার নামে বনশ্রী মসজিদ মার্কেটে ‘বিশ্বাস লাইব্রেরি’ নামে বিশাল বইয়ের দোকান, আফতাবনগর বি-ব্লকে ৩৪ নম্বর প্লটে ‘বিশ্বাস বাজার’ নামে সুপারশপ, ‘ভিশন ৭১’ নামে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং আফতাবনগর ও বনশ্রীতে পাঁচটি বাড়ি পাওয়া গেছে।

একই ইস্যুতে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহানারা বেগমের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান চলছে দুদকের।

ডি-আরআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়