দেশে টিকা গ্রহীতার সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়াল

আগের সংবাদ

পাঁচটি কিডনি এক ব্যক্তির শরীরে!

পরের সংবাদ

শেরপুরে বজ্রপাতে ২ কৃষি শ্রমিকসহ ৪ জন নিহত, আহত ৪

প্রকাশিত: আগস্ট ১২, ২০২১ , ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২১ , ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

শেরপুরে বজ্রপাতে ২ কৃষি শ্রমিকসহ ৪ জন নিহত এবং আরও ৪ শ্রমিক আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে সদর, নকলা, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় পৃথক ওই ঘটনাগুলো ঘটে।

নিহতরা হচ্ছেন, সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর দড়িপাড়া গ্রামের মো. আব্দুল খালেকের ছেলে মো. মোস্তফা (৪০), নকলা উপজেলার লাভা গ্রামের মো. বদিউজ্জামানের ছেলে মো. আজিজুল হক (৩৫), শ্রীবরদী উপজেলার মো. আব্দুল হামিদের ছেলে মো. আরমান হোসেন (১৫) ও ঝিনাইগাতী উপজেলার মালিঝিকান্দা ইউনিয়নের ইছামারিপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. রাসেল মিয়া (১৪)।

আর আহতরা হচ্ছেন, সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর দড়িপাড়া গ্রামের কৃষি শ্রমিক মো. ফজু মিয়ার ছেলে মো. বদু মিয়া (৩৫) ও মৃত জোসনা মিয়ার ছেলে মো. আবু সাঈদ (৩৪) এবং নকলার লাভা গ্রামের আব্দুস ছালামের পুত্র বাবু মিয়া (৪৩) ও মোক্তার হোসেনের পুত্র মো. হুমায়ুন ওরফে ফকির (২০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বেলা ১২টার দিকে বৃষ্টিপাতের সময় সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর দড়িপাড়া গ্রামে জনৈক মো. ভাসানীর কৃষি জমিতে আমন ধানের চারা রোপন করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক।

ওইসময় হঠাৎ বিকট শব্দে বজ্রপাত ঘটলে কৃষি শ্রমিক মোস্তফা ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং বদু মিয়া ও আবু সাঈদ গুরুতর আহত হন। পরে গুরুতর অবস্থায় আহত দুজনকে উদ্ধার করে শেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। আহত আবু সাঈদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

শেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. খাইরুল কবীর সুমন জানান, বজ্রপাতে সদর উপজেলায় একজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। আরও দুইজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া দুপুর সাড়ে ১২টার নকলা উপজেলার লাভা এলাকায় কৃষি জমিতে ধান রোপনের সময় আকস্মিক বজ্রপাত হলে কৃষি শ্রমিক মো. আজিজুল হক মারা যান। ওইসময় মো. হুমায়ুন ও বাবু মিয়া আহত হন।

অন্যদিকে একই সময় শ্রীবরদী উপজেলার গোশাইপুর এলাকায় বজ্রপাতে নিহত হয় কিশোর আরমান হোসেন ও ঝিনাইগাতী উপজেলার মালিঝিকান্দা এলাকায় বজ্রপাতে নিহত হয় কিশোর রাসেল মিয়া।

শেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. একেএম আনওয়ারুর রউফ বলেন, বজ্রপাত শুরু হলে খোলা মাঠে, কোন গাছের নিচে, গাড়িতে বা কোন ধাতব বস্তুর সংস্পর্শে থাকা যাবে না। ঘরে আশ্রয় নিতে হবে।

তিনি বলেন, বজ্রপাতে আহত রোগীদের বেশিরভাগই স্ট্রোক করে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাদের চিকিৎসার জন্য খুব বেশি সময় পাওয়া যায় না। বজ্রপাত যেহেতু প্রকৃতিগত ব্যাপার, তাই বৃষ্টিপাতের সময় ঘরের বাইরে গেলে আমাদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

এ ব্যাপারে শেরপুরের জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদ বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত মর্মান্তিক। নিহত কৃষি শ্রমিকদের সহায়তা করতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রি-কেএ/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়