নিউজ ফ্ল্যাশ

আগের সংবাদ

দাবানলের গ্রাসে তুরস্ক, গ্রিস, ইতালি ও ইসরায়েল

পরের সংবাদ

বিএসএমএমইউ’র গবেষণা

৯৮ শতাংশ রোগীই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত

প্রকাশিত: আগস্ট ৫, ২০২১ , ১২:২২ অপরাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২১ , ১২:২৪ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশে কোভিড-১৯ এ আক্রান্তদের ৯৮ শতাংশই বর্তমানে ডেলটা ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা আক্রান্ত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কোভিড-১৯ এর জেনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) দুপুরে এই গবেষণার ফল প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জেনোম সিকোয়েন্সিং রিসার্চ প্রজেক্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, কোভিড-১৯ এর জেনোম সিকোয়েন্সিং বিশ্লেষণ গবেষণার তথ্য থেকে দেখা যায় বাংলাদেশে ডিসেম্বর ২০২০ এ ইউকে বা আলফা ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা সংক্রমণ হার বেশি ছিল।

পরবর্তীতে মার্চ ২০২১ এর রিপোর্ট অনুযায়ী সাউথ আফ্রিকান বা বেটা ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা সংক্রমণ হার বেশি ছিল। গত একমাসের ৩’শ স্যাম্পলের জেনোম সিকোয়েন্সিং এ দেখা যায় মোট সংক্রমণের প্রায় ৯৮ শতাংশ হচ্ছে ইন্ডিয়ান বা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। ১ শতাংশ হচ্ছে সাউথ আফ্রিকান বা বেটা ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা সংক্রমণ, যদিও আমাদের গবেষণায় প্রথম ১৫ দিনে এই সংখ্যা ছিল ৩ শতাংশ। একজন রোগীর ক্ষেত্রে আমরা পেয়েছি মরিসাস ভ্যারিয়েন্ট অথবা নাইজেরিয়ান ভ্যারিয়েন্ট (তদন্তাধীন ভ্যারিয়েন্ট)।

এই রিপোর্ট বিএসএমএমইউ এর চলমান গবেষণার প্রথম মাসের ফলাফল। পরবর্তী মাসগুলোতে যা চলমান থাকবে বলে জানান তিনি। চলতি বছরের ২১ জুন থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত কোভিড ১৯ আক্রান্ত সারা দেশব্যাপী ৩০০ রোগীদের উপর এই গবেষণা পরিচালিত হয়। এই গবেষণায় দেশের সকল বিভাগের রিপ্রেজেন্টেটিভ স্যাম্পলিং করা হয়।

গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত কোভিড-১৯ আক্রান্তদের মধ্যে ৫৩ শতাংশ পুরুষ বিএসএমএমইউ-এর গবেষণায় ৯ মাস থেকে শুরু করে ৮০ বছরের ব্যয়স পর্যন্ত রোগী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৩০ থেকে ৩৯ বছর বয়সের রোগীদের সংখ্যা বেশি। যেহেতু কোন বয়সসীমাকেই কোভিড-১৯ এর জন্য ইমিউন করছে না, সে হিসেবে শিশুদের মধ্যেও কোভিস্ত সংক্রমন ঝুঁকি নেই বলা যাচ্ছে না।

গবেষণায় আরো পাওয়া গেছে যে, করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে যাদের কো-মরবিডিটি রয়েছে যেমন ক্যান্সার, শ্বাসতন্ত্রের রোগ, ডায়াবেটিস তাদের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি পেয়েছিলাম। পাশাপাশি ষাটোর্ধ বয়সের রোগীদের দ্বিতীয়বার সংক্রমণ হলে সে ক্ষেত্রে মৃত্যু ঝুঁকি বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে। যদিও এ গবেষণার টিকার কার্যকারিতার বিষয়টি চলমান রয়েছে।

ডি-এফবি/ আর- এসডি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়