শেখ কামাল বেঁচে থাকলে যুবকদের অনেক উপকার হতো: প্রধানমন্ত্রী

আগের সংবাদ

সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

পরের সংবাদ

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৩৯তম বিসিএস উত্তীর্ণ চিকিৎসকদের নিয়োগের দাবি

প্রকাশিত: আগস্ট ৫, ২০২১ , ১:২৬ অপরাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২১ , ১:২৭ অপরাহ্ণ

করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৩৯ তম বিসিএস উত্তীর্ণ অপেক্ষমান চিকিৎসকদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বঞ্চিত চিকিৎসকরা।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) দুপুরে অনলাইন প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। ৩৯তম বিসিএস উত্তীর্ণ নিয়োগ বঞ্চিত ৬ হাজার ৩৬০ চিকিৎসকদের পক্ষে ডা. সৈকত রায় অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন। সংবাদ সম্মেলনে, ডা. মো. আতিকুর রহমান, ডা. রাকিব মুন্না প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অবস্থান কর্মসূচি, প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি, সংবাদ সম্মেলনসহ নানা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের দাবির কথা জানিয়ে এসেছেন নিয়োগ বঞ্চিত চিকিৎসকরা। ইতিমধ্যে ৩৯ তম বিসিএস থেকে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসক নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার অ্যাসোসিয়েশনসহ চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠন থেকে ৩৯ তম (বিশেষ) বিসিএস থেকে চিকিৎসক দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। সরকারি মহল থেকেও বিভিন্ন সময় আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছেনা। আজও তাদের দাবি পূরণ হয়নি। দাবি পূরণ না হলে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমানে কঠোর বিধিনিষেধের কারণে ৪২ তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা অনেকটা অনিশ্চিত ও সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। ততদিনে দেশের করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার ব্যাপক আশঙ্কা রয়েছে। অথচ ৩৯তম বিসিএস এর লিখিত পরীক্ষা থেকে শুরু করে ভাইবা পরীক্ষা এবং উত্তীর্ণ চিকিৎসকদের তালিকা পর্যন্ত সকল দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন হয়ে আছে। শুধুমাত্র সুপারিশপ্রাপ্ত হলে অপেক্ষমান চিকিৎসকরা যেকোনো সময়ে কাজে যোগ দিতে প্রস্তুত। তাদের ৬ হাজার ৩৬০ চিকিৎসক সবাইকে নিয়োগ দিলেও দেশের চিকিৎসক সংকট সামগ্রিকভাবে দূর হবে না। যা পরবর্তীতে ৪২ তম বিশেষ বিসিএস থেকে উত্তীর্ণ চিকিৎসকদের নিয়োগ প্রদানের মাধ্যমে সেই সংকট অনেকাংশে দূরীকরণ সম্ভব।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে ৩৯তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। আরও ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে তার ফল প্রকাশ করা হয়। ৩৯তম ব্যাচে উত্তীর্ণদের ভেতর থেকে ৪ হাজার ৭৯২ জন চিকিৎসককে নিয়োগের সুপারিশ করে পিএসসি। একই বিসিএসে উত্তীর্ণ ৮ হাজার ৩৬০ জনকে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয় পদ স্বল্পতার জন্য। এরই মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে সেই ৮ হাজার ৩৬০ জন নন ক্যাডার চিকিৎসকদের মধ্য থেকে গত বছর ২০২০ সালের মে মাসে ২ হাজার চিকিৎসক সহকারী সার্জন পদে নিয়োগ দেয়া হয়। বাকি আরও ৬ হাজার ৩৬০ জন চিকিৎসক আছেন নিয়োগের অপেক্ষায়। যেহেতু নতুন পদ সৃষ্টি হয়েছে, তাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৩৯ তম বিসিএস উত্তীর্ণ অপেক্ষামান চিকিৎসকদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া হোক।

ডি-এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়