বরিশাল জেনারেল হাসপাতালকে ‘করোনা ডেডিকেটেড’ ঘোষণা

আগের সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার দম্ভ চূর্ণ করে জিতল তারুণ্যের বাংলাদেশ

পরের সংবাদ

শ্রীবরদীতে ভ্রাম্যমাণ আদলতের উপর হামলা

প্রকাশিত: আগস্ট ৪, ২০২১ , ৯:১১ অপরাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২১ , ৯:৫১ অপরাহ্ণ

শেরপুরের শ্রীবরদীতে লকডাউন বাস্তবায়নের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় প্রশাসনের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই বিজিবি সদস্য ও দুই পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছে।

বুধবার (৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ঝগড়ারচর বাজারে ওই ঘটনা ঘটে। এ সময় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর হামলায় বিজিবির ২ ও পুলিশের ২ সদস্য আহত হয়েছেন।

অপরদিকে বাজারের ব্যবসায়ী মো. লিটন মিয়া (৩৮) কে মারপিট করা হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি। লিটন উপজেলার ভেলুয়া ইউনিয়নের বারারচর নয়াপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

হামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আহতরা হলেন, বিজিবি ৩৯ ব্যাটেলিয়ান ময়মনসিংহের সদস্য মো. রুবেল খন্দকার (৩৫) ও মো. সবুজ (২০) এবং শ্রীবরদী থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. আজহারুল হক (৩৬) ও কনস্টেবল মো. জান্নাত (২৫)। তারা শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বেলা ১২টার দিকে চলমান লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম আল আমিন ও সানাউল মোর্শেদের নেতৃত্বে উপজেলার ঝগড়ারচর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

এ সময় বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী মো. লিটন মিয়ার সাথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বাগবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে বিজিবির এক সদস্য লিটনকে মারধর করে বলে লিটন অভিযোগ করেন। এতে লিটন আহত হন।

এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। ইটপাটকেলের আঘাতে বিজিবি সদস্য রুবেল খন্দকার ও মো. সবুজ এবং শ্রীবরদী থানার এএসআই আজহারুল হক ও কনস্টেবল মো. জান্নাত আহত হন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

ঝগড়ারচর বাজার বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমাছ আলী বলেন, কাপড় ব্যবসায়ী লিটনকে মারধর করার খবরটি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।

মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা আক্তার বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে কাউকে মারধর করা হয়নি। স্থানীয়রা ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপর হামলা চালিয়েছে।

বরং প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত সহনশীল মনোভাব প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শ্রীবরদীর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনার অভিযোগ প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রি-কেএ/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়