অর্ধশতাব্দি পর এবার চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রুটে পণ্যবাহী ট্রেন চালু

আগের সংবাদ

তবে কি ডেঙ্গু নিয়ে শঙ্কা সত্যি হচ্ছে?

পরের সংবাদ

প্রবল বর্ষণের পাহাড়ী ঢলে আবারও প্লাবিত তুমব্রু

প্রকাশিত: আগস্ট ১, ২০২১ , ৯:২৩ অপরাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২১ , ৯:২৩ অপরাহ্ণ

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের তুমব্রু গ্রাম ফের টানা প্রবল বর্ষণের পাহাড়ী ঢলে প্লাবিত। পানিবন্দি অসহায় মানুষরা জীবন বাচাঁতে ছুটছে এক মাত্র আশ্রয়কেন্দ্র ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদে।

রবিবার (১ আগষ্ট) পানিবন্দি তুমব্রু পশ্চিমকূল, হিন্দুপাড়া, বাজার পাড়া, কোনার পাড়া, মধ্যম পাড়া ও পানিতে ভাসমান তুমব্রু বাজারে ৫০/৬০টি দোকানসহ মৎস্যচাষীদের পুকুর। বাজার ব্যবসায়ীদের ২য় বার পানিবন্দী হওয়ায় প্রতিটি দোকানের মালিকরা বিপুল পরিমান ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন। ক্ষতিগ্রস্হ দোকান মালিকদের এই যেন এক নিরব কান্না!

তুমব্রু বাজারের ব্যবসায়ী ইমাম হোসনের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১ম ও ২য় বার টানা বর্ষণের কারনে পানিতে ভাসমান অবস্হায় প্রায় ৩ লক্ষ টাকার বিভিন্ন মালামালের ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হন তিনি। তিনি আরো জানান, ধার-দেনা করে দোকানে মূলধন দিয়ে মালামাল মজুদ করে ছিলেন।

এমতাবস্হায় হঠাৎ বন্যায় ক্ষতির মুখে পরতে হয় তাকে। ইমাম হোসেন স্হানীয় ইউপি ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আর্থিকভাবে সাহায্যের জন্য আকুল আবেদন জানান।

মৎস্য চাষী তুমব্রু বাজার পাড়ার হামিদুল হক বলেন, চলতি মৌসুমে বাজারের নিজ মালিকানাধীন অন্তত ৪০ শতক পুকুরে মাছের চাষ করেন তিনি। রুই, কাতাল, মাগুর, তেলাপিয়া, কৈ, টেংরাসহ নানা প্রজাতির দেড় লাখ টাকার পোনা ছেড়েছিলেন। পুকুর পরিচর্যায় শ্রমিক, মাছের খাবার সহ অনুষঙ্গিক খরচ মিলে অন্তত ২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু টানা প্রবল বৃষ্টিপাতের পাহাড়ী ঢলের পানি নেমে মৎস্য পুকুরে প্লাবিত হয়ে সম্পূর্ণ মাছ ভেসে গেছে।

ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান একে এম জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, গত ৩১ জুলাই রাত থেকে আবারও টানা অতিবর্ষণের ফলে পাহাড়ী ঢল এসে তুমব্রু এলাকা প্লাবিত হয়ে চলাচল বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তিনি আরো বলেন, নিজে ও ইউপি সদস্যদের নিয়ে পুনরায় পানিবন্দী মানুষকে বন্যার কবল থেকে রক্ষা এবং অক্ষত অবস্হায় নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র ইউপি পরিষদ ও তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে আসি এবং তাদের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করি।

প্রসঙ্গত, গেল মাসের ২৭ তারিখ টানা বর্ষেণের পাহাড়ী ঢলে ঘুমধুম ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত ও পাহাড় ধসে বাড়িঘর ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে পুরো ইউনিয়নবাসী। যার দুঃখ কাটিয়ে ওঠার আগেই রবিবার ১আগষ্ট টানা বর্ষণের পাহাড়ী ঢলে আবারও প্লাবিত হয় ঘুমধুম ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম।

রি-এসআইসি/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়