ভোক্তা অধিকারে অভিযোগের পাহাড় : ইভ্যালি নিয়ে পদক্ষেপ শিগগির

আগের সংবাদ

রাজশাহী মেডিকেলে একদিনে ১৭ জনের মৃত্যু

পরের সংবাদ

মাস্ক পরলে ফুসফুসের ক্ষতি হতে পারে, বললেন ভিলেন সুমিত

প্রকাশিত: জুলাই ২৯, ২০২১ , ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২১ , ১:২৭ অপরাহ্ণ

কিছুদিন আগেই করোনার সময় লকডাউনে শ্যুটিং বন্ধ থাকা ও সিনেমা হল বন্ধ থাকা নিয়ে নিজের মতামত জাহির করেছিলেন সুমিত। ‘আমাদের পিএফ, পেনশন কিছু নেই! পারলে পাশে থাকুন’, সুমিতের এই কাতর আর্জি শুনে মন কেঁদেছিল অনেকেরই। তবে, সম্প্রতি মাস্ক ছাড়াই তিনি হাজির হয়েছিলেন এক রক্তদান অনুষ্ঠানে। এমনকী, নিজের মাস্ক না পরার সাপেক্ষে যা যুক্তি দেন, তা শুনে অবাক হয়েছেন সকলেই। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

মঙ্গলবার ভাঙড়ের এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিল ‘ভাঙড় এখন’ পত্রিকা ও ভাঙড় নবোদয় সমিতি। আর করোনার সময় চিকিৎসকরা যার ওপর সবথেকে বেশি জোর দিচ্ছেন, অর্থাৎ মাস্ক ছাড়াই সেই রক্তদান শিবিরে যোগদান করে বিতর্ক তৈরি করলেন অভিনেতা সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, মাস্ক ছাড়া মঞ্চে বক্তৃতাও রাখেন তিনি। অতিমারীর সময় যখন দেশে এখনও হাজার হাজার মানুষ করোনায় মারা যাচ্ছেন, সেখানে জনপ্রিয় অভিনেতার এহেন ব্যবহার হতবাক করেছে সকলকে।

সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে হাজির হয়েছিলেন বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় খলনায়ক সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়। আর রক্তদান অনুষ্ঠানে তারকার আগমনে অনেক তাঁর সঙ্গে ছবি তোলেন, কথা বলেন, হাত মেলান। এসব সত্ত্বেও মুখে মাস্ক পরেননি। বরং সে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুমিত বলেন, ‘মাস্কে করোনা আটকায় না। বরং বেশিক্ষন মাস্ক পরে থাকলে ফুসফুসের ক্ষতি হতে পারে। আমি আজ পর্যন্ত মাস্ক পড়িনি।’

মঙ্গলবার ভাঙড়ের কাঁঠালিয়াতে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিল ‘ভাঙড় এখন’ পত্রিকা ও ভাঙড় নবোদয় সমিতি। করোনা মহামারীর মাঝে সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে মাস্ক ছাড়া হাজির হলেন অভিনেতা সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়। সগর্বে জানালেন, ‘মাস্কে করোনা আটকায় না। আমি জীবনে মাস্ক পরিনি।’

বাংলা ছবির ‘ভিলেন’ হিসেবেই তিনি অধিক জনপ্রিয়। গত তিন দশকের ওপর বাংলা ছবিতে অভিনয় করে আসছেন সুমিত। অধিকাংশ ছবিতেই তাঁকে দেখা যায় খলনায়ক, নিষ্ঠুর গুন্ডার চরিত্রে। সম্প্রতি ফেসবুকের একটি পোস্টে শিল্পীদের দুর্দশা জানিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সুমিত লিখেছিলেন, ‘যাঁরা মানুষের মনোরঞ্জন করেন তাঁদের মনের খোঁজই কেউ রাখেন না। আমাদের পিএফ, পেনশন কিছু নেই। পেটে খাবার থাক না থাক হাসিমুখে সেজে-গুজে থাকতে হয়, শুধু জীবিকার নিয়মে। মুখে কেউ কিছু বলছি না। কিন্তু আমরা আর কতদিন টানতে পারব জানি না।’

ডি-এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়