ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানই পাবে প্রণোদনার অর্থ

আগের সংবাদ

ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী

পরের সংবাদ

চলতি অর্থবছরের মুদ্রানীতি প্রকাশ হচ্ছে বৃহস্পতিবার

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের সম্প্রসারণশীল মুদ্রানীতি অব্যাহত থাকবে

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২১ , ৯:০২ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২১ , ৯:০২ অপরাহ্ণ

করোনা মহামারিতে অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের জন্য এবারও সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতি ভঙ্গি বজায় রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক। কাঙ্খিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য উৎপাদনশীল খাতে ঋণ জোগান বাড়ানোর ওপর জোর দেয়া হবে। নীতি সুদহার ও সিআরআর কমিয়ে রাখার অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে। তবে এসব নীতিসহায়তার কারণে তৈরি হওয়া উদ্বৃত্ত তারল্য যেন অনুৎপাদনশীল খাতে গিয়ে মূল্যম্ফীতির ওপর চাপ তৈরি না করে সে বিষয়ে সতর্ক থাকবে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি অর্থবছরের মুদ্রানীতি ওয়েবসাইটে প্রকাশ হচ্ছে বৃহস্পতিবার।

জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ২ শতাংশ। অন্যদিকে মূল্যম্ফীতি ৫ দশমিক ৩ শতাংশে সীমিত রাখার লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকে সামনে রেখে মুদ্রানীতির কর্মসূচি সাজানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুদ্রানীতি প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। তারা জানান, মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হবে করোনার প্রভাব মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। বিশ্ববাজারের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ানোর মাধ্যমে কর্মসংস্থানমূলক কার্যক্রমে উৎসাহ দেওয়া হবে। প্রণোদনাসহ সব ধরনের ঋণের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে বলা হবে। ব্যাংক ব্যবস্থায় থাকায় বাড়তি অর্থ যেন অনুৎপাদনশীল খাতে না যায় সে বিষয়ে নজর দেয়া হবে।

গত অর্থবছরের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর প্রক্ষেপণ করা হয় ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। তবে মে পর্যন্ত অর্জিত হয়েছে মাত্র ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ। নতুন বিনিয়োগ কম হওয়ায় আগামীতেও ঋণপ্রবৃদ্ধি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বাড়বে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। গত অর্থবছরের জন্য সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৪৪ দশমিক ৪০ শতাংশ প্রাক্কলন করা হলেও সঞ্চয়পত্র থেকে প্রচুর ঋণ পাওয়ায় সরকার ব্যাংক থেকে নিয়েছে অনেক কম। গত অর্থবছর রেমিট্যান্সে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ এবং রপ্তানিতে ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। করোনার এ সময়ে অর্থনীতির জন্য যা সহায়ক হয়েছে। গত মে পর্যন্ত ১৭ শতাংশের বেশি আমদানি বাড়লেও প্রবৃদ্ধির বড় অংশই খাদ্যপণ্য হওয়ায় এখানে খুব একটা আশার আলো নেই।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়