সমবেদনা জানাতে মেয়র আইভীর বাড়িতে সাংসদ শামীম ওসমান

আগের সংবাদ

ইভ্যালিতে হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে যমুনা গ্রুপ

পরের সংবাদ

মুম্বাইয়ে চিকিৎসকের তিনবার করোনা, টিকা নেওয়ার পর দুবার

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২১ , ১১:০৫ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২১ , ১১:৫০ অপরাহ্ণ

ভারতের মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালের চিকিৎসক শ্রুষ্টি হালারি। গত ১৩ মাসের মধ্যে এই চিকিৎসক তিনবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মাঝে নিয়েছেন করোনা টিকার দুই ডোজ। এরপরও রক্ষা পাননি।

তিনবারের মধ্য দুবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন টিকা নেওয়ার পর। এখন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়তে হচ্ছে শ্রুষ্টি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এ তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুম্বাইয়ের মুলুন্দ এলাকায় বীর সাভাকর হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দেন শ্রুষ্টি। দায়িত্বরত অবস্থায় গত বছরের ১৭ জুন প্রথমবার করোনায় আক্রান্ত হন ২৬ বছর বয়সী এই চিকিৎসক। তবে ওই সময় তাঁর শরীরে করোনার মৃদু উপসর্গ ছিল। চিকিৎসা নিয়ে অল্প দিনের মধ্যে সুস্থ হন তিনি।

সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে চলতি বছরের ৮ মার্চ করোনার টিকার প্রথম ডোজ নেন শ্রুষ্টি। দ্বিতীয় ডোজ নেন ২৯ এপ্রিল। তিনি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনার টিকা কোভিশিল্ডের দুটো ডোজ নিয়েছিলেন।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট এই টিকা উৎপাদন করছে। শ্রুষ্টির সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও কোভিশিল্ডের দুটো ডোজ নিয়েছিলেন।

টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ঠিক এক মাস পর গত ২৯ মে শ্রুষ্টির দ্বিতীয় দফায় করোনা শনাক্ত হয়। এবারও উপসর্গ ছিল মৃদু। বাড়িতে থেকেই সুস্থ হন। হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি।

তবে তৃতীয়বার কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ায় শ্রুষ্টিকে ভুগতে হচ্ছে বেশ। ১১ জুলাই তাঁর তৃতীয়বারের মতো করোনা শনাক্ত হয়েছে। কোভিশিল্ডের দুই ডোজ নেওয়ার পরও আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর বাবা, মা, ভাইসহ পরিবারের চার সদস্যের সবাই।

চারজনকেই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। তাঁরা করোনার ডেলটা ধরনে সংক্রমিত হয়েছেন কি না, তা জানতে সবার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে শ্রুষ্টি এনডিটিভিকে বলেন, ‘তৃতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হয়ে বেশি ভুগতে হচ্ছে। পরিবারের সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। রেমডেসিভির নিতে হচ্ছে।’

তাঁর মা ও ভাইয়ের ডায়াবেটিস রয়েছে। বাবা আগে থেকেই কোলেস্টেরলের সমস্যা ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর ভাইয়ের শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। দুই দিন ধরে তাঁকে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে বলেও শ্রুষ্টি জানান।

উল্লেখ্য, করোনার টিকার কার্যকারিতা নিয়ে অনেকের মনেই সন্দেহ রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, করোনা থেকে পুরোপুরি সুরক্ষা দিতে পারে না টিকা। বিশেষজ্ঞরাও এখন একই সুরে কথা বলছেন।

তাঁদের মতে, টিকায় পুরোপুরি সুরক্ষা মিলবে না। এমনকি টিকার দুই ডোজ নেওয়ার পরও করোনা হতে পারে। তবে টিকা নেওয়ার পর করোনা হলে গুরুতর অসুস্থ হওয়ার হার কমে আসে। কমে আসে করোনায় মৃত্যুর আশঙ্কা।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়