জুড়ীতে চলমান লকডাউনে সরকারি নির্দেশনা না মানায় জরিমানা

আগের সংবাদ

৪২তম বিসিএস থেকে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ

পরের সংবাদ

টানা বর্ষণে বিপদ সীমার উপরে মাতামুহুরী নদীর পানি

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২১ , ১১:৪৭ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২১ , ১১:৪৭ অপরাহ্ণ

টানা দুইদিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পানিতে প্লাবিত হয়েছে। মাতামুহুরী নদীর দুইকূল উপচিয়ে বিপদসীমার উপরে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ঝুকিপূর্ন হয়ে পড়েছে কোনাখালী ইউনিয়নের মধ্যম কোনাখালীর বাঁধটি।

এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে রাতে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কাও করছেন জনপ্রতিনিধিরা।

জানা যায়, চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টি ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এরমধ্যে সুরাজপুর-মানিকপুর, কাকারা, লক্ষ্যারচর, কৈয়ারবিল, বরইতলী, কোনাখালী ও ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের বেশকিছু এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। নতুন নতুন এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করায় স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বন্যার পানি বাড়ার কারণে ১৫-২০টি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। ঘর বাড়িতে পানি প্রবেশ না করলেও অভ্যন্তরীণ রাস্তা গুলো ১ থেকে ২ ফুট পানির নিচে রয়েছে। ফলে যোগাযোগ ক্ষেত্রে মারাত্মক দূর্ভোগে পড়েছে এলাকাবাসী। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বেশকিছু গ্রামের লোক।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে বন্যার আশঙ্কা দেখা দেয়ায় তারা বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে খোঁজখবর নিচ্ছেন। ঢলের কারণে সমস্যা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

কোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার বলেন, ভারি বর্ষণে মাতামুহুরীর নদীতে উপচে পড়েছে পানি। মধ্যম কোনাখালী বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ন হয়ে পড়েছে। কিছু অংশ বালির বস্তা দিয়ে রক্ষার চেষ্ঠা করা হচ্ছে।

লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কাইছার বলেন, আমার এলাকায় এখনো বন্যার পানি প্রবেশ করে করেনি। রাতে মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মক্কি ইকবাল বলেন, মাতামুহুরী নদীর পানি ৫টি ওয়ার্ডের কিছু কিছু এলাকায় প্রবেশ করেছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আরো এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী বলেন, পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ৩টি ওয়ার্ডে পানির প্রবেশ করেছে। বিশেষ করে ১নং ওয়ার্ডের কাজীরপাড়া এলাকার নদীর কিছু অংশ ভাঙ্গলেও সর্তক রয়েছি। বড়ধরণের ভাঙ্গন রোধে বালির বস্তা ফেলার কথা জানান তিনি।

রি-এমএইচ/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়