ডিএসইর নতুন এমডির যোগদান

আগের সংবাদ

গাইবান্ধায় দুটি পেট্রোল বোমা, ৩টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার

পরের সংবাদ

রাস্তার মাঝখানে রহস্যময় সমাধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২১ , ৪:৪৬ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২১ , ৪:৫১ অপরাহ্ণ

শহুরে পাকা রাস্তা। এ পথ দিয়ে ছুটতে ছুটতে আপনি যে শেষ দৃশ্যটির মুখোমুখি হবেন, তা হলো বিশাল সমাধিসফলক যুক্ত একটি রহস্যময় মাজার। তুরস্কের জেলা শহর সিভাসে আপনি যদি গাড়ি নিয়ে ঘোরাফেরা করেন, আপনি এর মুখোমুখি হবেনই।

মধ্য তুরস্কের তুলনামূলক নতুন জেলা সার্কিসলা। এ জেলারই শহর সিভাস। ইয়েনি মাহেলা হামজাওলু- এ শহরের অন্যতম সড়ক। সারা শহরে এটি বিস্তৃত। এ সড়কটির একটি বিশেষত্ব রয়েছে, যা অন্য রাস্তাগুলোর নেই। এক পর্যায়ে গাড়িচালকরা সরাসরি পিচঢালা এই পথের মাঝখানে অবস্থিত একটি কবরের মুখোমুখি হবেনই। তারা সরাসরি গাড়ি নিয়ে সামনে এগোতে পারবেন না। ডানে বা বাঁয়ে বাঁক নিয়ে যেতে হবে। করবটি বহু বছর ধরেই এখানে রয়েছে। তবে সম্প্রতি এর ড্রোন ফুটেজ ও বিভিন্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এরপর তুরস্ক সরকারেরও টনক নড়েছে। দুর্ঘটনার আশংকা ও নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে এসেছে। পক্ষে বিপক্ষে এ নিয়ে চলছে নানামুখী আলোচনা-সমালোচনা।

এই কবরে অনেকেই এসে প্রতিদিন ফুল রেখে যায়

কবরের গায়ে “ফকির শহীদ বাবা” খোদাই করা বিশাল একটি শিলালিপি আছে। কেউই জানেনা কবরটি আসলে কার। সার্কিসলা জেলার এ সড়ক নির্মাণের সময় সড়কের মাঝে পড়ে এমন বাড়িঘর সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু করটি সরানো হয়নি। এলাকার মানুষজন বিশ্বাস করে, রহস্যময় কবরটি এক সময় এখানকার কারও বাড়ির আঙ্গিনার মধ্যেই ছিল। তবে কেন এই কবরের জন্য কয়েক মিটার বাইপাস না দিয়ে বরং এর চারপাশ দিয়ে সেসময় রাস্তা নির্মিত হয় তা আরেক রহস্য।

প্রতিবেশি এলাকা কান্দেমি। সেখানকার একজন মোড়ল আহমেট হার্ক। তুর্কি সংবাদপত্র হাবরকে তিনি বলেছিলেন, রহস্যময় কবরটি ঘিরে প্রচলিত বিশ্বাস ও গল্পই নির্মাণ শ্রমিকদের বাধ্য করেছিল একে নিজের জায়গায় রেখে দিতে। কবর থেকে দেহাবশেষ স্থানান্তরের কথা থাকলেও তারা তা করতে চায়নি। কথিত আছে, কবরে থাকা ব্যক্তিটি এ জায়গার সর্বশেষ শেষ মালিকের স্বপ্নে হাজির হয়েছিলেন। তিনি তাদের জানান, কবরটি একটি পবিত্র মাজার। এ জায়গার আগের মালিকদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। তাই প্রত্যেকেই চাননি, কবরটি সেখান থেকে সরানো হোক। রাস্তার নির্মাণ শ্রমিকরাও তাই চেয়েছিল। সেখান থেকে বাড়িঘর সরিয়ে নেওয়া হলেও, কবরটি ঠিকই সেখানে থেকে যায়।

স্থানীয়রা বিশ্বাস করে, সেখানে একজন শহীদ বা জ্ঞানী ব্যক্তিকে কবর দেওয়া হয়েছিল। সারাবছরই কেউ না কেউ এখানে এসে ফুল দেয়। গাড়ি চালক বা পথচারী কেউ কবরটি নিয়ে কখনও বিরক্তি প্রকাশ করে না।

অডিটিসেন্ট্রালডটকম অবলম্বনে

ডি-আরআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়