সিরিজ জয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

আগের সংবাদ

সরকারের কাছে আরও প্রণোদনা চাইবে গার্মেন্টস মালিকরা

পরের সংবাদ

কাঁচামাল তৈরিতে কর সুবিধা পাচ্ছে ওষুধশিল্প

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২১ , ৮:৪১ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২১ , ৮:৪১ অপরাহ্ণ

ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে ওষুধ তৈরির কাঁচামাল ও ল্যাবরেটরি স্থাপনে কর অবকাশ সুবিধা দিতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ওষুধ শিল্পের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে আর্থিক উৎসাহ হিসেবে এ সুবিধা বিবেচনা করা হচ্ছে। সে লক্ষ্যে এনবিআরের আওতাধীন আয়কর শাখা সম্প্রতি ন্যাশনাল অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) নীতিমালাসহ বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সাধারণত ১০ থেকে ২০ বছরের জন্য এই ধরনের কর অবকাশ সুবিধা দেয়া হয়ে থাকে। এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পরে এ সংক্রান্ত এসআরও জারি করা হবে। শিল্প উদ্যোক্তারা দীর্ঘদিন ধরে এ দাবি করে আসছেন। তারা ২০৩২ সাল পর্যন্ত ওই সুবিধা দাবি করেছেন। এ সুবিধার আওতায় ওষধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনকারীরা শতভাগ করপোরেট কর মওকুফসহ অন্যান্য কর সুবিধা ভোগ করে থাকেন।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, সাধারণত ন্যাশনাল এপিআই এবং ল্যাবরেটরি রিএজেন্টস প্রোডাকশন এবং রপ্তানি নীতি ২০১৮ দেশীয় উৎপাদনকারীরা কর সুবিধার জন্য প্রাপ্য হয়ে থাকেন। এপিআই হলো সবধরনের ওষুধ জন্য প্রাথমিক কাঁচামাল।

শিল্পের উদোক্তরা বলছেন, সরকারের কাছ থেকে রাজস্ব নীতির সহায়তা পেলে রপ্তানি প্রতিস্থাপন এবং রফতানি উভয় ক্ষেত্রেই এপিআইয়ের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে ওষধের ৯৮ শতাংশ অভ্যন্তরিণ চাহিদা পূরণ করে থাকে দেশের ওষুধশিল্প। আর বাংলাদেশের ওষুধ ১৬০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। যদিও স্থানীয় ওষধ উৎপাদনকারীদের ভারত, চীন এবং কোরিয়ার মতো দেশ থেকে ৯০ শতাংশ কাঁচামাল আমদানি করতে হয়।

এপিআই নীতিমালা অনুসারে সরকার প্রয়োজনীয় ৩৭০টি গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়