বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিনে কমেছে গ্রেপ্তার

আগের সংবাদ

নাশকতা নয়, লক্কড়মার্কা ফেরি আর চালকের অসর্তকতা দায়ি

পরের সংবাদ

কেশবপুরে ইউএনও’র নামে প্রতারণা করে টাকা আদায়

প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২১ , ৮:১২ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২১ , ৮:১২ অপরাহ্ণ

যশোরের কেশবপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নামে প্রতারণা করে ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে অভিযোগ হওয়ায় থানা পুলিশ তদন্ত করছে।

কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাঁজিয়া বাজারের সঞ্জয় দাস, মৃত্যুঞ্জয় দাস, অঞ্জণ অধিকারী ও আব্দুস সামাদ মিষ্টির ব্যবসা করে আসছেন। গত ১৮ জুলাই পাঁজিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার শম্ভু নাথ বসু একটি ফোন নিয়ে দোকানে আসেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কথা বলবেন বলে জানান এবং ০১৬১০৪৭২৯৩৪ নম্বরে কথা বলিয়ে দেন।

এর আধাঘন্টা পরে সঞ্জয় দাসের ব্যবহৃত নম্বরে ওই নাম্বার থেকে ফোন করে বলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলছি তোমরা করেনাকালীন সময়ে দোকানে ক্রয় বিক্রয় করো, আমি মোবাইল কোর্ট করে চিরতরে তোমার ও তোমাদের দোকান বন্ধ কবে দিব, যদি বাঁচতে চাও ৩০ হাজার টাকা এ নম্বরে দিয়ে দাও।

নিরুপায় হয়ে সঞ্জয় দাস ব্যবসা পরিচালনার স্বার্থে পাঁজিয়া বাজারস্থ বিকাশ এজেন্ট দেব নাথ বস্ত্রালয়ে গিয়ে ০১৬১০৪৭২৯৩৪ নম্বরে টাকা পরিশোধ করেন। পরবর্তীতে খোজ খবর নিয়ে বিষয়টি প্রতারণামুলক হওয়ায় অন্য ব্যবসায়ীরা টাকা প্রদান করেনি। ইউপি মেম্বার শম্ভু নাথ বসুর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে না পাওয়ায় তার বক্তব্য প্রকাশ করা যায়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী অফিসে এসেছিলেন, এটি একটি প্রতারণা, বিষয়টি নিয়ে সর্বোচ্চ তদন্তের জন্য কেশবপুর থানা পুলিশকে অনুরোধ করেছি। বৃহস্পতিবার রাতে পাঁজিয়া বাজার কমিটির অনুষ্ঠিত জরুরী সভা থেকে জড়িতদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

রি-জেএবি/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়