শঙ্কা কাটিয়ে পর্দা উঠল অলিম্পিকের

আগের সংবাদ

কারণ ছাড়াই রাস্তায় বেরিয়ে প্রথম দিনে গ্রেপ্তার ৪০৩

পরের সংবাদ

বোয়ালমারীতে আ.লীগে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫০

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২১ , ৭:৩৩ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২১ , ৮:৪৬ অপরাহ্ণ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের কাটা খাল এলাকায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়ে মারা গেছেন শহীদ ফকির (৪৭) নামে এক ব্যাক্তি।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালিত ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

শহীদ ফকির পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের ফকির পাড়া গ্রামের রাজ্জাক ফকিরের ছেলে। পেশায় তিনি একজন কৃষক। তিনি বিবাহিত এবং দুই ছেলে ও এক মেয়ের বাবা। শহীদ ফকিরের খালাতো ভাই মান্নান ফকির বলেন, শুক্রবার সকালে পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের কাটা খাল এলাকায় সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের রামদায়ের কোপে মারাত্মত ভাবে আহত হন শহীদ। তাকে দ্রুত ফরিদপুর ট্রমা সেন্টোরে এনে ভর্তি করা হয়। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে মারা যান তিনি।

এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ২৫-৩০টি বাড়িঘর ও দোকান ভাঙচুর হয়েছে। সংঘর্ষে ৬জন পুলিশসহ উভয় পক্ষের ৪০-৫০জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে আছাদ শেখ (৪০) নামে একজন ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। উভয় পক্ষের বাকি আহতরা বিভিন্ন মামলার আসামি থাকায় বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়ে পলাতক রয়েছে।

খবর পেয়ে বোয়ালমারী ও সালথা থানার পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় দুইপক্ষের সংঘর্ষ ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সর্টগানের গুলি নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করেন। ঘটনাস্থল মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সুমন কর, বোয়ালমারী থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুল আলম পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নুরুল আলম মিনা মুকুল মুঠোফোনে বলেন, আমি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান; আমার কোন গ্রুপ নাই। সবাই এ ইউনিয়নের বাসিন্দা। মান্নান মাতুব্বর গ্রুপ ও মাসুদ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আগের একটি সংঘর্ষের ঘটনায় প্রধান আসামি আমাকে করা হয়। সংঘর্ষের সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই।

এ ব্যাপারে বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নুরুল আলম শুক্রবার বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। সংঘর্ষে লিপ্তকারীদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য সর্টগানের গুলি নিক্ষেপ ও লাঠি চার্জ করা হয়। সংঘর্ষের এলাকা বর্তমানে শান্ত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্তু কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়