চরফ্যাশনে কুকুরের কামড়ে ১৩ জন আহত

আগের সংবাদ

রাজ ও শিল্পার বাড়ি থেকে মিলল ৭০টি পর্ন ভিডিও

পরের সংবাদ

ট্রেনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, ফেরার পাল্লায় ভারি

প্রকাশিত: জুলাই ২২, ২০২১ , ২:১৩ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২২, ২০২১ , ২:১৩ অপরাহ্ণ

ঈদ শেষ হয়েছে গতকাল, কিন্তু আজও রেল স্টেশনে যাত্রীর ভিড়। সকাল থেকে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য বিভিন্ন প্লাটফর্মে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অনেকে ঈদের আগে বাড়ি যাবার টিকেট সংগ্রহ করতে না পারায় শুক্রবার (২৩ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া কঠোর লকডাউনের আগে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছেন অনেকেই।

আবার কমিউটার ও লোকাল ট্রেনের টিকেটের জন্য আজ বৃহষ্পতিবার (২২ জুলাই) সকালে তিতাস কমিউটার, বলাকা কমিউটার, কর্ণফুলী, জামালপুর কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। যাত্রীরা জানান, ১৪ দিনের বিধিনিষেধ থাকায় তারা আজ গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন। এর আগে তারা বাস বা ট্রেনের টিকেট না পেয়ে পরিবার নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেননি। তবে যেহেতু শুক্রবার থেকে (২৩ জুলাই) কঠোর লকডাউনে প্রায় সব বন্ধ, তাই এ ক’টা দিন গ্রামের বাড়ির সকলের সঙ্গে কাটিয়ে আসতে চান তারা। গতকাল কমলাপুর থেকে যেসব ট্রেন ছেড়েছে সব গুলোই যাত্রী ভর্তি ও এমনকি বাড়তি যাত্রী নিয়ে গমন করতে দেখা গেছে।

সকাল থেকে ট্রেনগুলো ভর্তি হয়ে কমলাপুরে আসা শুরু করেছে। দুপুর ১টা পর্যন্ত কমলাপুরে দেখা গেছে বিভিন্ন গন্তব্য থেকে আসা ট্রেন থেকে অসংখ্য মানুষ ঢাকায় আসছেন। তাদের মধ্যে যেমন আছেন ব্যাংক কর্মী, আছেন গণমাধ্যম কর্মীরাও। সেই সাথে বেসরকারী ও সরকারী জরুরী সেবা বিভাগ যারা লকডাউনের আওতার বাইরে তারা আজ ঈদ করে ঢাকায় ফিরছেন দেখা গেছে।

আজ ঢাকায় ফেরা যাত্রীরা বলছেন বিধিনিষেধে অফিস বন্ধের কথা থাকলেও অনেক অফিসই খোলা থাকবে। আবার বিধিনিষেধ কয়েকদিন চলার পর হঠাৎ অফিস খুলে দিতে পারে। এজন্য তারা ঢাকায় ফিরছেন। তবে আসার সময় তারা কোনো ঝামেলায় পড়েননি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাজশাহী থেকে ঢাকায় আসা সিল্কসিটির যাত্রী লিপি জানান, তিনি একটি বেসরকারী ব্যাংকের কর্মী। এজন্য ঢাকায় তাড়াতাড়ি ফিরতে হয়েছে। পথের মধ্যে কোনো সমস্যা হয়নি। সময়মত ট্রেনটি চলে এসেছে।

এ বিষয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদের আগে ঢাকা ছাড়া যাত্রীদের প্রচুর চাপ ছিল। আজ ঈদের পরের দিন ঢাকা ছাড়ছেন অনেকে। প্রায় প্রতিটি ট্রেন ভর্তি হয়ে যাত্রী যাচ্ছে। তবে যাবার থেকে ফেরার যাত্রীর সংখ্যা অনেক বেশী। দুপুর ১টা পর্যন্ত যেসব ট্রেন এসেছে তাতে অসংখ্য যাত্রী ফিরছেন।অনেকে আবার বিমান বন্দরে নেমে যাওয়ায় নিশ্চয় ফেরার সংখ্যাটা আরো বেশী হবে। আজ সারা দিন ও কাল শুক্রবার ভোর পর্যন্ত যেসব ট্রেন ঢাকায় আসবে, যেমন সুন্দরবন বা বিভিন্ন গন্তব্য থেকে রাতে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলোতে ভিড় অধিক হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। যাওয়ার চেয়ে ঢাকা ফেরার যাত্রী বেশি বলে জানান রফিকুল ইসলাম ।

ঢাকা ছেড়ে যাওয়া সুন্দরবন এক্সপ্রেসে করে ফারহানা সপরিবারে খুলনা যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আগে ট্রেন এবং বাসের টিকিট পাইনি। এজন্য পরের দিন সবাই বাড়ি যাচ্ছি। আবার একই ট্রেনের সাইফুল হক বলেন, গত বছর বাড়িতে যাওয়া হয় নি। এজন্য বাড়িতে যাচ্ছি, অনেকেই অপেক্ষা করছে। লকডাউনের মধ্যে ঢাকায় ফিরতে হবে। লকডাউনে অনেকেই তো যাতায়াত করছেন। আমাদেরও প্রয়োজনে প্রাইভেট কার ভাড়া করে বা এম্বুলেন্স করে ঢাকায় ফেরার চেষ্টা করবো। একটা ব্যবস্থা নিশ্চয় হয়ে যাবে। তবেু নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা আর, কর্মস্থলে যোগ দেবার তাগিদে এ যাওয়া আসা চলতেই থাকবে।

ডি-এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়