কাজ হারিয়েছেন ৬০ শতাংশ মানুষ

আগের সংবাদ

সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে পালিত হচ্ছে ঈদুল আযহা

পরের সংবাদ

লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে পবিত্র হজ পালিত

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২১ , ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২১ , ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শরিকা লাকা লাব্বাইক।’ হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির কণ্ঠে এ ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাত ময়দান। করোনাকালে দ্বিতীয় বছরের মতো সীমিত পরিসরে হজ পালিত হয়েছে। অবশ্য গত বছরের চেয়ে এবার শর্তসাপেক্ষে বেশি সংখ্যক মানুষকে অংশ নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়। বিভিন্ন দেশ থেকে হজ করতে ইচ্ছুক এমন সাড়ে ৫ লাখেরও বেশি মানুষের আবেদন অনলাইনে জমা পড়ে। সেখান থেকে লটারির মাধ্যমে ১৫০ দেশের মাত্র ৬০ হাজার মানুষ এবারে হজ করার অনুমতি পান। তবে শর্ত থাকে যে করোনার দুই ডোজ টিকা নেয়া থাকতে হবে। গতবারও বিধিনিষেধের মধ্যে ১ হাজার মুসল্লিকে হজ পালনের সুযোগ দেয়া হয়েছিল।

সোমবার সকালে মিনা থেকে ৩ হাজার বাসে করে হজযাত্রীদের আরাফার ময়দানে সুশৃঙ্খলভাবে পৌঁছান হয়। হজযাত্রীরা আরাফার ময়দানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করে আল্লাহর কাছে মোনাজাতের মাধ্যমে জীবনের সব গুনাহ মাফ করার জন্য প্রার্থনা করেন। হাজিরা মসজিদে নামিরা থেকে দেয়া হজের খুতবা শ্রবণ, জোহর, আসরের এক আজানের দুই ইকামতে কসরের সঙ্গে আদায় করেন। তাঁবুতে অবস্থানকারী হাজিরা তাঁবুতে নামাজ আদায় করেন। আরাফাত ময়দান থেকে সূর্যাস্তের পর হাজিরা রওনা দেন মুজদালিফার উদ্দেশে। মুজদালিফায় পৌঁছে তারা মাগরিব ও এশা একসঙ্গে আদায় করেন। মুজদালিফার খোলা ময়দানে রাত্রি যাপন করবেন। শয়তানকে নিক্ষেপ করার জন্য সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে জীবাণুমুক্ত কংকর প্রত্যেক হজযাত্রীকে সরবরাহ করা হয়েছে। এজন্য হাজিদের নিজ উদ্যোগে মুজদালিফা ময়দান থেকে কংকর সংগ্রহ করতে হয়নি। আরাফাত ময়দান থেকে আজ মঙ্গলবার ফজরের নামাজ পড়ে সূর্যোদয়ের পর মিনা পৌঁছে হাজিরা প্রথম দিন বড় জামারায় সাতটি কংকর নিক্ষেপ করবেন, পাশাপাশি পশু কুরবানি দিয়ে মাথা মুণ্ডন করে ঈদ আনন্দে মেতে উঠবেন। হাজিরা মিনা-ময়দানে এভাবে তিন দিন অবস্থান করে পর্যায়ক্রমে শয়তানকে কংকর নিক্ষেপ করবেন।

আরফার ময়দানে মোনাজাতরত হাজীরা। ছবি: সংগৃহীত

এদিকে গত বছর থেকে আরাফার দিনের খুতবা সরাসরি বাংলাসহ ১০ ভাষায় অনুবাদ করা হয়। বাংলাসহ অন্য যে ভাষায় সম্প্রচার হয় তা হলো- ইংরেজি, ফরাসি, তুর্কি, মালাইউ, চায়নিজ, উর্দু, ফারসি, রাশিয়ান ও হাউসা। এ বছর হজের খুতবার বাংলা অনুবাদক হিসেবে মনোনীত হন কক্সবাজার জেলার মাওলানা আ ফ ম ওয়াহীদুর রহমান। বর্তমানে তিনি মক্কা ইসলামি সেন্টারে দাঈ হিসেবে কাজ করছেন।

গত শনিবার থেকে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। গতবারের মতো এবারো করোনার মহামারির মধ্যে সীমিত পরিসরে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে হজ পালন করা হচ্ছে।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়