৫০ বছরে দেশে চালের উৎপাদন বেড়েছে চার গুণেরও বেশি: কৃষিমন্ত্রী

আগের সংবাদ

অসহায় ও ক্ষুধার্তদের মাঝে ঢাকা ক্লাবের খাবার বিতরণ

পরের সংবাদ

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট

সার্ভারে কোন গণ্ডগোল নেই: রেলমন্ত্রী

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২১ , ৬:২২ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২১ , ৬:২৩ অপরাহ্ণ

করোনার কারণে মাস খানেকের বিরতির পরে বৃহষ্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে ২২ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৮ দিনের জন্য ৩৮ জোড়া আন্তনগর ও ১৯ জোড়া লোকাল ট্রেন চালাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে মোট আসনের অর্ধেক টিকেট বিক্রি করা হচ্ছে, যা অনলাইনে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে। কিন্তু টিকেট বিক্রির প্রথম দিন আজ বুধবার (১৪ জুলাই) বারবার চেষ্টা করেও বহু যাত্রী টিকেট না পেয়ে হতাশা ব্যক্ত করে টিকেট বিক্রিতে সার্ভারের সমস্যার অভিযোগ করেছেন। বহু যাত্রী অনলাইনে টিকেট না পেয়ে কমলাপুরে ভিড় করছেন এমন চিত্রও দেখা গেছে।

তবে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ৫০ লাখ হিট হয়েছে। সামান্য সাত-সাড়ে সাত হাজার টিকেটের জন্য। সার্ভার হ্যাক বা সার্ভারে গণ্ডগোলের কোন কিছু নেই।

এর আগে গত গতকাল মঙ্গলবার ঈদযাত্রাকে সামনে রেখে ৩৮টি আন্তঃনগর ও ১৯টি মেইল ও কমিউটার ট্রেন দেশের বিভিন্ন রুটে চলাচল করবে বলে ঘোষনা করে রেলওয়ে। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে এই ট্রেনগুলো চলবে। ট্রেনে বাড়ি যেতে বিপুল সংখ্যক যাত্রী এরই মধ্যে ট্রেনের টিকিটের জন্য অধীর আগ্রহে আছেন।

তবে এবার টিকিট শুধু অনলাইনে পাওয়া যাবে, কাউন্টারে টিকিট বিক্রি করা হবে না বলে জানিয়েছে রেলওয়ে। যদিও কখন থেকে টিকেট পাওয়া যাবে তা নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়। প্রথমে রেলওয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবার বিকেল থেকে অনলাইনে টিকিট পাওয়া যাবে। কিন্তু বারবার চেষ্টা করেও যাত্রীরা অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেননি।

যদিও মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে রেলওয়ের পক্ষ থেকে আবার বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে টিকিট পাওয়া যাবে। অনেক টিকিট প্রত্যাশী বুধবার সকাল ৮টা থেকে বারবার চেষ্টা করেও টিকিট সংগ্রহ করতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন।

যদিও রেলের টিকিটের জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপসে প্রবেশের পর তারা দেখতে পান‘নো ট্রেন ফাউন্ড।’কিছু কিছু সময় ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপসে গ্রাহকরা প্রবেশ করতে পারছিলেন না। সকাল থেকে ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপসে প্রবেশ করা সম্ভব হলেও ‘নো ট্রেন ফাউন্ড’ অথবা ‘টিকেট নট এ্যাভেলএবেল’লেখা দেখতে পান টিকিট প্রত্যাশীরা।

এসব অভিযোগের বিষয়ে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন ভোরের কাগজকে জানান, ‘টিকেট তো সবাই পাবে না- এটাই স্বাভাবিক, কেননা, আমরা ৭৫০ সিটের ট্রেনের জন্য ৩৭৫ টিকেট বিক্রি করছি। সারাদেশে মাত্র ৩৮টি আন্ত:নগরে সে হিসেবে ১৪ হাজারের মত টিকেট বিক্রি হচ্ছে। তার ওপর প্রতিটি স্টেশনের কোটা রয়েছে। তা ছাড়া ঢাকা-বিমান বন্দরে টিকেটের চাপ বরাবরই বেশি থাকে। এখন তো করোনা, সাধারণ সময়ে দেখা যায় ৪৮ ঘন্টা আগে থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে, হাট বাজার বসিয়ে টিকেট কাটে যাত্রীরা, তাও অনেকে পায় না।। এখন তো অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।

সামান্য টিকেট যা অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে, শুনেছি ৫০ লাখ হিট হচ্ছে সামান্য সাত-সাড়ে সাত হাজার টিকেটের জন্য। তাই সার্ভার হ্যাক বা সার্ভারের গণ্ডগোলের কোন কিছু নেই। কম টিকেট যারা পেয়েছেন তারা লাকী পার্সেন, যারা পাননি তা তো হতাশ হবেনই। তবে সার্ভারে ঢোকা যাচ্ছে না বা কোন হ্যাকিং ট্যাকিং এসব কিছু না। টিকেট যা- তা বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। সার্ভারের কোন কারচুপি বা সমস্যা নেই।

যদিও টিকেট না পেয়ে হতাশ বহু যাত্রী, অনেকে আবার বাধ্য হয়ে সাইবার ক্যাফ থেকে প্রতি টিকেটে ২০০ টাকা বেশী দিয়ে টিকেট সংগ্রহ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়