পল্লবী থেকে গ্রেপ্তার ৩ জঙ্গি কারাগারে

আগের সংবাদ

একূল-ওকূল রাখতে গিয়ে দুই কূলই যাচ্ছে: মঈন খান

পরের সংবাদ

মোবাইল কোর্টে লাঠিপিটায় পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার, নিয়োগ তদন্ত কর্মকর্তা

প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২১ , ৮:১৫ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২১ , ৮:১৫ অপরাহ্ণ

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও লাঠিপেটার ঘটনায় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের পর এবার ঘটনাটি তদন্তে কর্মকর্তা নিয়োগ করেছেন জেলা প্রশাসন। জরুরী ভিত্তিতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে বলে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ।

ঘটনাটি নিয়ে ভোরের কাগজ লাইভসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হলে লাঠিপেটাকারী ওই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী ও লাঠিপেটার নির্দেশদাতা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও রুনা লায়লার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় সর্বমহলে তোলপাড় শুরু হয়।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে গত ১১ জুলাই জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন জেলা শাখার পক্ষ থেকে প্রেস নোটের মাধ্যমে ইউএনও’র পক্ষ নিয়ে সংবাদের প্রতিবাদ জানানো হয়। পরে সমালোচনার মুখে ওইদিন বিকেলেই ঘটনা তদন্তে উপসচিব পদমর্যাদার তদন্তকর্মকর্তা নিয়োগ দেন জেলা প্রশাসন। তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে।

এদিকে, ইউএনও’র পক্ষে প্রেসনোট দেয়া সংগঠনটির অন্যতম সদস্যকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়ায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ওঠেছে। অভিজ্ঞদের মতে সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে ঘটনাটির বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত।

এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, সোমবার (১২ জুলাই) চিঠি হাতে পেয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত কাজ শুরু করব। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন জেলা শাখার একজন দায়িত্বশীল সদস্য হয়ে আপনি কতটুকু নিরপেক্ষতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা ডিসি স্যারকে জিজ্ঞেস করুন।

এদিকে ঘটনার পর থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনা লায়লাকে চলমান লকডাউনে কোন অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়নি। উপজেলা প্রশাসন অফিস সূত্রে জানা গেছে, তার মেয়ে অসুস্থ থাকায় তিনি ৩ দিনের ছুটিতে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

প্রসঙ্গত, চলমান লকডাউনের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার জায়গীর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী তপন দাস দোকান খোলা রাখায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন মোবাইল কোর্ট। সেখানে ইউএনও রুনা লায়লাকে আপা সম্বোধন করায় ওই ব্যবসায়ীকে লাঠিপেটা করেন এক পুলিশ সদস্য।

পুলিশের দাবী ইউএনও’র নির্দেশেই তাকে লাঠিপেটা করা হয়েছে। তবে ইউএনও রুনা লায়লা লাঠিপেটার ঘটনা বরাবরই গণমাধ্যমের কাছে অস্বীকার করে আসছেন।

রি-এমবি/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়