ঘরের মাঠে ব্রাজিল এগিয়ে, মরণকামড় দেবে আর্জেন্টিনা: তপু বর্মন

আগের সংবাদ

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু চেয়ার, সেপ্টেম্বরে হাইডেলবার্গে

পরের সংবাদ

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল নিয়ে সংঘাত ঠেকাতে পুলিশের মাইকিং

প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০২১ , ৭:১০ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২১ , ৭:২৩ অপরাহ্ণ

কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলা রবিবার ভোর ৬টায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। এই খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘাত এড়াতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
এরই অংশ হিসেবে শনিবার (১০ জুলাই) সকাল থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্কতামূলক প্রচারণা শুরু হয়েছে। জেলা শহর ও উপজেলায় অটোরিকশা, সিএনজি ও পিকআপ যোগে মাইকিং করা হচ্ছে।
গত ৬ জুলাই খেলা নিয়ে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এর ফলে কোপা আমেরিকার ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে সংঘাতের আশঙ্কা থেকে পুলিশের বিশেষ টিম জেলায় মোতায়েন থাকবে। এছাড়া এবার জেলার কোথাও বড় পর্দায় খেলা দেখার সুযোগ দেওয়া হবেনা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোজাম্মেল হোসেন রেজা বলেন, ১১ জুলাই ভোর ৬টা থেকে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এ খেলা নিয়ে ইতোমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। খেলাকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। খেলার দিন ভোর ৫টা থেকে মাঠে থাকবে পুলিশ বিশেষ টিম। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান কঠোর লকডাউন কার্যকরে এমনিতেই ইউনিয়ন পর্যায়ের বিট পুলিশিংয়ের টিমগুলোর পাশাপাশি পুরো জেলায় পুলিশের ১১৬টি বিটে চারজনের দল করে মাঠে থাকবে পুলিশ। তবে কোপা আমেরিকার খেলাকে ঘিরে সমর্থকরা যেন সংঘাতে না জড়াতে পারে-সেজন্য বিশেষ টিমগুলো আরও বেশি তৎপর থাকবে। ম্যাচ খেলা শুরুর আগ থেকেই পুলিশের বিশেষ টিমগুলো বিভিন্ন পাড়া-মহাল্লায় টহল দেবে।

তিনি বলেন, কেউ যেন ঘর থেকে বেরিয়ে বিশৃঙ্খলা করতে না পারে, সেজন্য বিশেষ নজরদারি থাকবে। খেলা দেখতে হবে ঘরে বসে। বাইরে বড় পর্দায় খেলা দেখার কোনো সুযোগ দেওয়া হবেনা। গ্রাম পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদেরকেও এসব বিষয়ে বলা হয়েছে। তারা পুলিশকে সহযোগিতা করবেন। খেলাকে কেন্দ্র করে কাউকেই বিশৃঙ্খলা করতে দেওয়া হবেনা। খেলা শেষ হওয়ার পর কোন অবস্থাতেই বিজয় মিছিল করা যাবে না।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম বলেন, প্রচারণা চালাতে আমার গাড়িতেও মাইক লাগিয়েছি। এছাড়া সদর মডেল থানাধীন ১৫টি বিটের কর্মকর্তারা মাইকিং শুরু করেছে। বাইরে প্রজেক্টরে গণজমায়েত হয়ে খেলা দেখা যাবে না, বাসায় বসে খেলা দেখতে হবে। এছাড়া খেলা পরবর্তী কোনো বিজয় মিছিল করা যাবে না।

উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল বাজারে নোয়াব মিয়া (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করেন আর্জেন্টিনা সমর্থক জীবন ও তার সহযোগীরা। ওইদিন সকালে নোয়াব মিয়ার ভাতিজা ব্রাজিল সমর্থক রেজাউলের সঙ্গে খেলা নিয়ে জীবনের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। এর জেরে জীবন ও তার সহযোগীরা রেজাউলের চাচাকে একা পেয়ে মারধর করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ওইদিন রাতেই জীবনের সহযোগী তিন আর্জেন্টিনা সমর্থককে মারধর করেন ব্রাজিল সমর্থকরা।

ডি-আরআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়