এলডিসি পরবর্তী সম্ভাবনাময় শিল্পের সমান সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান

আগের সংবাদ

নিউজ ফ্ল্যাশ

পরের সংবাদ

জেডফোর্সের আলোচনায় আব্বাসকে সাবধান করলেন সালাম

প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২১ , ৭:৫৯ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২১ , ৮:০০ অপরাহ্ণ

স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম সামরিক ব্রিগেড মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেডফোর্স এর প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে ভার্চূয়াল সভায় আগে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে খুনসুটিতে মেতে উঠেন দলটির সিনিয়র নেতারা। অনুষ্ঠান চলাকালে সঞ্চালক জয়নাল আবদীন বক্তব্য দিতে মির্জা আব্বাসের নাম ঘোষণা করলে মাইকে আসেন উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব আবদুস সালাম।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, আব্বাস ভাই বলার আগে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করি যদিও এটা ভার্চূয়াল প্রোগ্রাম। কিন্তু এটাতে সাংবাদিকসহ দেশ-বিদেশ থেকে অনেক নেতাকর্মীও সম্পৃক্ত আছেন। মির্জা আব্বাস মুচকি হেসে বলেন, আপনার অন্তর্নিহিত বক্তব্য আমি বুঝতে পেরেছি। চিন্তা কইরেন না।

এর আগেও দলীয় এক ভার্চূয়াল অনুষ্ঠানে বিএনপির গুম হওয়ার নেতাদের নিয়ে বক্তব্য দিয়ে দলীয় সমালোচনা ও চাপের মুখে পড়েন মির্জা আব্বাস। স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম সামরিক ব্রিগেড মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেডফোর্স’এর প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বুধবার (৭ জুলাই) বিকালে ভার্চুয়াল সভা চলাকালীন স্থায়ী কমিটির তিন জন সদস্য পরস্পর আলোচনায় মেতেছিলেন। বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটি এ সভার আয়োজন করে।

বুধবার (৭ জুলাই) বিকাল তিনটার পর ভার্চূয়াল সভা শুরু হয়। একে একে বিএনপির নেতারা বক্তব্য দেন। বিকাল সোয়া চারটার দিকে বক্তব্য শেষ করেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তার বক্তব্যের পর স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, হাফিজ সাহেবের বক্তব্য থেকে অনেক কিছু জানলাম। আরও বেশি সময় নিতে পারতেন। আরও বেশি জানতে পারতাম। এরপর হাফিজ উদ্দিনকে ধন্যবাদ, অনেক ধন্যবাদ বলে শুভেচ্ছা জানান স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সভার সভাপতি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

এরপর বক্তব্য দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে ভাইস চেয়ারম্যান ও আমন্ত্রিত অতিথিদের বক্তব্যের পরই স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বক্তব্য দেন। ফলে, মির্জা আব্বাস আমারে একটু দিলে ভালো হতো মনে হয় আবদার প্রকাশের পরই স্থায়ীকমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, সব সময় আব্বাস ভাই আগে কইতে চায় ক্যা’। জবাবে মির্জা আব্বাস বলেন, ভাই, শোনেন, আমি বরাবরই প্রথম সারিতে ছিলাম।

এরপর সভার সভাপতি খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বর্তমান নিয়মে তো সিনিয়রিটি দেখে হয়। আপনি প্রথম সারি অনেক আগেই অতিক্রম করে ফেলেছেন। আমি সঞ্চালক সাহেবকে বলবো, আব্বাস সাহেবকে দিয়ে দিন।

আলোচনায় মির্জা আব্বাস বলেন, আজকে বক্তব্যগুলো চাবুকের মতো আঘাত হানবে আওয়ামী লীগের গায়ে। আওয়ামী লীগ তো দলীয়ভাবে যুদ্ধ করেনি। আমাদের নেতারা যে ভাষায়, যেভাবে কথা বলতে পারি, ইতিহাসের কাহিনি বলতে পারবো, এ কথা আওয়ামী লীগের বলার ক্ষমতা নাই।

তিনি বলেন, অভ্যাস না থাকলে দয়া করে সকালে টেলিভিশন দেখবেন- কীভাবে মিথ্যার বেসাতি করা হয়। জিয়াউর রহমান, তারেক রহমান, খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিভিন্নভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করা হয়।

আর-আরজে/ডি-এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়