নয়া প্রেমে আলিয়া

আগের সংবাদ

অশ্লীল ভিডিও ফাঁসে আত্মহত্যা, আসামি রিমান্ডে

পরের সংবাদ

আবারো বিতর্কিত মন্তব্য করলেন কঙ্গনা

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২১ , ৯:২৮ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২১ , ৯:২৮ অপরাহ্ণ

সম্প্রতি আমির খান ও কিরণ রাওয়ের বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলেছেন কঙ্গনা রানাউত। তার আক্রমণের তীরে এবার বিদ্ধ করলেন আমিরকে। আর সেটির জন্য কঙ্গনা বেছে নিয়েছেন ইসলাম ধর্ম। ভিন্ন ধর্মাবলম্বী দুই ব্যক্তির মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্কের উদাহরণ দিয়ে তিনি বোঝাতে চাইলেন, কেবল ইসলাম ধর্মাবলম্বীর সঙ্গে বিয়ের করার ক্ষেত্রে ধর্মান্তরিত হতে হয়।

কঙ্গনা লেখেন, ‘পাঞ্জাবি পরিবারে এক পুত্রকে হিন্দু হিসেবে বড় করা হয়, অন্যজনকে শিখ ধর্মে। কিন্তু আমির খান স্যারের বিয়ে বিচ্ছেদের ঘটনায় অবাক হয়ে গেলাম। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কিরণ রাও ও আমির খানের ছেলে কেবল মুসলমান পরিচয় পেল কেন? যদি একটি পরিবারে নাস্তিক, হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, রাধাস্বামী মতে বিশ্বাসী একত্রে বসবাস করতে পারেন, তবে কোনো মুসলমানকে বিয়ে করলে নিজের ধর্ম বদলাতে হয় কেন?’

জানা যায়, কিরণ রাও ধর্মে বিশ্বাসী নন। নিজেকে নাস্তিক বলে পরিচয় দেন। কিন্তু বিয়ের পর নিজের নাম থেকে রাও পদবি মুছে ফেলেননি। যে কারণে হিন্দু ধর্মের একটা রেশ আছে নামে। কিরণ নিজেও নিরামিষাশী এবং বিয়ের পরে আমির খানকেও আমিষ ছেড়ে নিরামিষাশী হয়ে যাওয়ার পথ দেখিয়েছেন। এখনো দুজনে একই পথে আছেন।

অন্যদিকে তাদের ছেলে আজাদের নামের পেছনে মা ও বাবা দুজনের পদবিই রাখা। এদিকে কঙ্গনা কট্টর হিন্দুপন্থি। এর আগেও ধর্ম নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন। এবারো কঙ্গনা ধর্ম নিয়ে অন্যদের পরামর্শ দিতেও থামেননি। বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই সবার মানসিকতাকেও পরিবর্তন করতে হবে। সব ধর্মের মধ্যে একমাত্র ইসলাম ধর্মের মানুষকে বিয়ে করলেই ধর্মান্তরণের রীতি বন্ধ করতে হবে।’

অন্যদিকে বিচ্ছেদের ঘোষণার পর আমির খান ও কিরণ রাও গত ৪ জুলাই লাইভ সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়ে জানান, বিচ্ছেদের পরও তাদের মধ্যে সামান্য পরিবর্তন ছাড়া নিজেদের প্রতি সম্মানবোধ ঠিক থাকবে।

রি-এস/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়