অক্ষম পৌরসভাকে ইউনিয়ন পরিষদে রূপান্তরিত করা হবে

আগের সংবাদ

ব্রাজিল-ইতালি এগিয়ে : তপু বর্মন

পরের সংবাদ

পোশাকে ভর করে রপ্তানিতে রেকর্ড

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২১ , ৯:১৩ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২১ , ৯:১৭ অপরাহ্ণ

করোনা ভাইরাস মহামারিকালে পণ্য রপ্তানিতে ভালো প্রবৃদ্ধি নিয়ে শেষ হয়েছে ২০২০-২১ অর্থবছর। সদ্য শেষ হওয়া এই অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ৩ হাজার ৮৭৫ কোটি ৮৩ লাখ (৩৮ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ। প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ। করোনার মধ্যে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি এসেছে সাড়ে ১২ শতাংশ। একক মাস হিসেবে সদ্য সমাপ্ত জুন মাসে রপ্তানি আয়ে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা আড়াই শতাংশ কমলেও জুনে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সোমবার (৫ জুলাই) রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ হাজার ৮৭৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ধরা ছিল ৪ হাজার ১০০ কোটি ডলার। আগের বছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩৬৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এ হিসাবেই প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ। আর লক্ষ্যের চেয়ে আয় কমেছে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

এদিকে একক মাস হিসেবে গত জুন মাসে বিভিন্ন ধরনের পণ্য রপ্তানি করে ৩৫৭ কোটি ৭৪ লাখ ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ। মে মাসে এই রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩১১ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৪৬ কোটি ডলার। রপ্তানিকারকরা বলছেন, চলমান কঠোর লকডাউনের মধ্যে সচল রয়েছে দেশের কল-কারখানা। বর্তমানে বিশে^র অনেক দেশেই লগডাউন শিথিল করায় রপ্তানি আয় বাড়ছে। সামনের দিনগুলোতে আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তারা।

রপ্তানির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ হাজার ১৪৫ কোটি ৬৭ লাখ (৩১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন) ডলারের তৈরি পোশাক পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮১ দশমিক ১৬ শতাংশ। গত অর্থবছরে আগের বছরের চেয়ে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। লক্ষ্যের চেয়ে আয় কমেছে ৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ। গত অর্থবছরে নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ৬৯৬ কোটি ডলারের। প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ২১ দশমিক ৯৪ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ। ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ৪৪৯ কোটি ৬৭ লাখ ডলার।

আবারও প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি আয়ের উৎস চামড়া রপ্তানি। সদ্য সমাপ্ত ২০২০-২১ অর্থবছরের এ খাত থেকে আয় হয়েছে ৯৪ কোটি ১৬ লাখ ডলার। এ অঙ্ক গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৩৬ শতাংশের মতো। করোনা ভাইরাসের কারণে ধস নেমেছে হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি আয়ে। গত অর্থবছরে হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৩২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার আয় করেছে। রপ্তানির এই অংক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ কম। এ খাতের লক্ষ্য ছিল ৪১ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরে আয় হয়েছিল ৩৩ কোটি ২৬ লাখ ডলার।

বিভিন্ন কৃষি পণ্য রপ্তানি করে গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ১০২ কোটি ৮১ লাখ ডলার আয় করেছে। যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৯ দশমিক ২৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

আর-এমএস/এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়