স্থায়ী কমিটির বৈঠকে অনীহা

আগের সংবাদ

বিশ্বজুড়ে বিপর্যয় ডেকে আনছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট

পরের সংবাদ

আগরতলা মামলা প্রত্যাহার

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২১ , ৮:২২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২১ , ৮:২২ পূর্বাহ্ণ

আগরতলা মামলা থেকে মুক্তি লাভের পর দিন শেখ মুজিবকে রেসকোর্স ময়দানে গণসংবর্ধনা দেয় সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। সেখানেই তোফায়েল আহমদ বাংলার জনগণের পক্ষ থেকে তাকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

২২ ফেব্রুয়ারি ’৬৯ পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে যে, ফৌজদারি আইন সংশোধনী অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৮ অধ্যাদেশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান’ মামলা তথা আগরতলা মামলাটি আপনা থেকেই বাতিল হয়ে যায়। আগরতলা মামলা প্রত্যাহার হওয়ার ফলে শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য অভিযুক্তরা মুক্তি লাভ করেন।

‘বঙ্গবন্ধু’ : আগরতলা মামলার চক্রান্ত থেকে মুক্তি লাভের পর দিন সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে রমনা রেসকোর্স ময়দানে এক গণসংবর্ধনা প্রদান করা হয়। ওই দিন শেখ মুজিবকে সংবর্ধনা জানাতে দশ লাখ লোক রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত হয়। ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমদের সভাপতিত্বে এ সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রেসকোর্সের সংবর্ধনা সভাতেই ১১ দফা আন্দোলনের নেতা তোফায়েল আহমদ বাংলার জনগণের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

রেসকোর্স ময়দানে বিশাল গণসংবর্ধনা সভায় গৃহীত প্রস্তাবে ৪ মার্চের মধ্যে মৌলিক গণতন্ত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যদের পদত্যাগের আহ্বান জানান হয়।

যেভাবে স্বাধীনতা পেলাম বইটির কভার ফটো

দ্বিতীয় দফা গোল টেবিল বৈঠকে আলোচনার সময় শেখ মুজিব ৬-দফা ও ১১-দফা দাবিদাওয়া পেশ করবেন এটা ঠিক হয়। তার ওপর এ ব্যাপারে সর্ব দায়িত্ব ছেড়ে দেয়া হয়। এখানে স্মরণীয় যে, আইউববিরোধী সংগ্রামে বিভিন্ন দলকে নিয়ে ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন কমিটি সংক্ষেপে ‘ডাক’ গঠন করা হয়। এই ‘ডাক’-এর অন্তর্ভুক্ত দলগুলোর মধ্যে ছিল আওয়ামী লীগ, ন্যাপ (ওয়ালি-মুজাফফর), এনডিএফ, জামায়াতে ইসলামী, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও পিডিএম। বুর্জোয়া দলগুলোর জোট বলে মওলানা ভাসানীর ন্যাপ এ জোটে শামিল হননি। পশ্চিম পাকিস্তানের জুলফিকার আলী ভুট্টো ‘তাসখন্দ চুক্তি’র পর আইয়ুববিরোধী ভূমিকা গ্রহণের অত্যল্পকাল পরে পাকিস্তান পিপলস পার্টি গড়ে তোলেন। গোল টেবিল বৈঠকের প্রশ্নে ভাসানী-ভুট্টো একই কৌশল অর্থাৎ বয়কটের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের সাফল্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নামে পূর্ব বাংলার সর্বত্র বামপন্থিরা স্থানীয়ভাবে গরুচোর, ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। ফলে গ্রামাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে স্থানে স্থানে সংকট দেখা দেয়। এ ধরনের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে শেখ মুজিব, ন্যাপ (মোজাফফর) ও অন্যান্য কিছু সংগঠন মিলে পূর্ব বাংলায় উপরোক্ত সহিংসতার বিরুদ্ধে জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

আগামীকাল প্রকাশিত হবে
‘লাহোরে বাংলাদেশ নিয়ে বিতর্ক’
‘যেভাবে স্বাধীনতা পেলাম’- বইটি পাওয়া যাচ্ছে ভোরের কাগজ প্রকাশনে (ভোরের কাগজ কার্যালয়, ৭০ শহীদ সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা)। এছাড়া সংগ্রহ করা যাবে bhorerkagojprokashan.com থেকেও।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়