নতুন কিউএমজি সাইফুল আলম ও ডিজিএফআইর ডিজি তাবরেজ শামস

আগের সংবাদ

লকডাউন বাড়ছে কি না জানা যাবে মঙ্গলবার

পরের সংবাদ

রাস্তা বন্ধ, মই বেয়ে যেতে হয় বাড়ি

প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২১ , ৯:০৬ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২১ , ৯:০৬ অপরাহ্ণ

৩০ বছরের পুরোনো রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় বকশীগঞ্জ পৌর শহরের একটি হতদরিদ্র পরিবারকে দীর্ঘ আট মাস ধরে মই বেয়ে দশ ফুট উঁচু দেয়াল টপকে নিজ বাড়িতে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুসহ পরিবারের সবাই সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় বিশ বছর আগে বকশীগঞ্জ পৌর শহরের নামাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা চা বিক্রেতা ফকির আলী জমি কিনে এখানে বসবাস শুরু করেন। তার বাড়ির পাশেই ফিরোজ মিয়া নামে জনৈক ব্যক্তিও জমি কিনে বাড়ি করেন। জমি বিক্রি করার সময়ই এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য ছয় ফুট প্রশস্ত রাস্তা রাখা হয়েছিল। গত ত্রিশ বছর ধরে ওই রাস্তা দিয়ে এলাকার লোকজন যাতায়াত করে আসছে।

কিন্তু সম্প্রতি ফিরোজ মিয়া রাস্তাটি তার জমির ওপর দিয়ে গেছে দাবি করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে রাস্তাটি বন্ধ করে দেন। ফলে ফকির আলীর পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। উপায় না থাকায় মই দিয়ে দশ ফুট উঁচু ওয়াল টপকে বাড়িতে যাতায়াত করছে ফকির আলীর পরিবার। এই নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান জানান, রাস্তাটি খুলে দেওয়ার জন্য ফিরোজ মিয়াকে অনুরোধ করেছি। কিন্তু তিনি খুলে দেননি। তাই বাধ্য হয়ে এলাকার সবাই মিলে ইউএনওর কাছে লিখিত আবেদন করেছি।

ভুক্তভোগী চা বিক্রেতা ফকির আলী জানান, কিছুদিন আগে প্রতিবেশী এক লোকের সঙ্গে ফিরোজ মিয়ার ঝগড়া হয়। ওই ঘটনায় ফিরোজ মিয়ার প্রতিপক্ষরা তার নামে আদালতে মামলা করেছে। মামলার বাদী আমাকে কিছু না জানিয়েই মামলায় সাক্ষ্য হিসেবে আমার নাম ব্যবহার করেছে। এ কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে ফিরোজ মিয়া ৩০ বছরের পুরোনো রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছেন। এ কারনে আট মাস ধরে দেয়াল টপকে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে ফিরোজ মিয়া বলেন, কারও চলাচলের রাস্তা বন্ধ করিনি আমি। আমি বাড়ির নিরাপত্তার জন্য আমার নিজের জমিতে দেয়াল দিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনমুন জাহান লিজা জানান, অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা করছি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়