লকডাউনে রাজধানীর মগবাজার এলাকায় সেনাবাহিনীর তৎপরতা

আগের সংবাদ

দেশবাসীকে লকডাউনবিধি মেনে চলার অনুরোধ তথ্যমন্ত্রীর

পরের সংবাদ

যাত্রা শুরু হলো নতুন বাজেটের

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২১ , ৫:১৫ অপরাহ্ণ আপডেট: জুলাই ১, ২০২১ , ৫:১৫ অপরাহ্ণ

আজ বৃহষ্পতিবার (১ জুলাই) থেকে কার্যকর হতে চলেছে ২০২১-২২ অর্থবছরের নতুন বাজেট বাস্তবায়নের কাজ। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে চলতি অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট পাশ হয়। আর গত রাতেই রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বাজেট সংক্রান্ত অর্থবিল ও নির্দিষ্টকরণ বিলের অনুমোদন দেন। যার ফলে আজ বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে তা বাস্তবায়ন শুরু করতে আর বাঁধা রইল না।

অর্থমন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, অর্থনীতিকে সামনে এগিয়ে নিতে, করোনাকালে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে কাজ শুরু করবে অর্থমন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো। করোনায় লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া বিশ্ব অর্থনীতিকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করবে সরকার।

অর্থমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ ১ জুলাই থেকেই শুরু হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার করপোরেট কর কমানোর নতুন কার্যক্রম। সেইসঙ্গে ক্রসচেকে লেনদেনের শর্ত শিথিল করা শিল্পের কাঁচামাল ক্রয়ের কর্মসূচিও কার্যকর হচ্ছে। শিল্পখাতে কালো টাকা বিনিয়োগে দেওয়া ‘বিশেষ’ সুযোগ অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে এসআরও জারি করবে এনবিআর। সেই সঙ্গে বাজেটে যে সব সুবিধার কথা বলা হয়েছে তাও আজ থেকে কার্যকর হবে। যদিও ইতিমধ্যে মূল্যবৃদ্ধি হয়ে গেছে বাজেটে যেসব পণ্যের কর ভ্যাট বা সেবার কর বাড়ান হয়েছে সেগুলোর।

আরও জানা গেছে, সরকার তিন খাতে- শেয়ার বাজার, আবাসন এবং শিল্পে বিনিয়োগের শর্তে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেবে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

এদিকে গতকাল বুধবার সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের উত্থাপিত নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২১ পাসের মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পাস করা হয়। যা জিডিপির ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত ছিলেন অধিকাংশ মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা। মোট ৫৯ টি মন্ত্রণালয় অথবা বিভাগের অধীনে এ বাজেট বরাদ্দ করা হয়।

বাজেটে করোনা নিয়ন্ত্রণ, অর্থনীতি চাঙ্গা করা, শিল্প ও কলকারখানায় উৎপাদনশীলতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সেফটিনেট প্রোগ্রামের আওতা বাড়ানো সহ দরিদ্র সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

তবে অর্থনীতিবিদরা এটাকে ব্যবসায়ী বান্ধব বাজেট বলে মনে করে বাজেটে কর আদায় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তারা করোনা মহামারীকালে বাজেটে কর্মসংস্থান, এসএমই খাতে বরাদ্দ, স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন, দরিদ্র ও কর্মহীনদের জন্য কর্মসংস্থানের বিষয়ে তেমন কোন সুনির্দিষ্ট দিক নির্দশনা না থাকার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

রি-এনআরআর/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়