হিলিপ প্রকল্পে পাল্টে যাওয়া রোজিনা এখন অনুপ্রেরণার নাম

আগের সংবাদ

মেহেরপুরে ফোন দিলেই খাবার পৌঁছে যাচ্ছে করোনা রোগীর বাড়ি

পরের সংবাদ

ঈদের আগেই বেড়ে গেল আদার দাম

প্রকাশিত: জুন ২৫, ২০২১ , ২:১০ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২৫, ২০২১ , ২:১০ অপরাহ্ণ

কোন ধর্মীয় উৎসবের আগেই সেই সংক্রান্ত পণ্যের চাহিদা বাড়ে। এই বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে সেই পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এবারও ব্যতিক্রম হচ্ছে না।

সামনে মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা। আর মাত্র ২৫ দিন বাকী। ইতিমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে মসলার দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে আদার দাম কেজিতে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। শুক্রবার (২৫ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে আমদানি করা আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে। আর এক সপ্তাহ আগে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া দেশি আদার দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা।

আদার এই দাম বাড়ার বিষয়ে কথা হয় যাত্রাবাড়ীর মুদি দোকানী আলামিন হোসেনের সঙ্গে। তিনি ভোরের কাগজকে বলেন, পাইকারি বাজারে হঠাৎ করে আদার দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে। বেশি দামে কেনায় আমরা বাড়তি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। পাইকারি বাজার থেকে শুনেছি বাইরে থেকে আদা আমদানি হচ্ছে খুব কম। এ কারণে দাম বেড়েছে। তাছাড়া কোরবানির ঈদও কাছাকাছি চলে এসেছে। আমাদের ধারণা এখন আদার দাম বাড়ার পিছনে এটাও একটা কারণ।

বাজারে গত সপ্তাহে দাম বেড়ে যাওয়া ব্রয়লার মুরগি এখন ওই দামে বিক্রি হচ্ছে। এর সঙ্গে অপরিবর্তিত রয়েছে পাকিস্তানি কক বা সোনালী মুরগি এবং লাল লেয়ার মুরগির দাম। ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। লাল লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা। আর সোনালী মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৩০ টাকা।

মুরগির পাশাপাশি দাম অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা। আর খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির সঙ্গে গত সপ্তাহে দাম বাড়া আলু ও ডিমের। সপ্তাহের ব্যবধানে এ দুটি পণ্যের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা। আর ফার্মের মুরগির ডিম ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে পেঁয়াজের দামও। গত সপ্তাহের মতো পেঁয়াজের কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর সবজি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে আগের মতো বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। মানভেদে শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ঢ়েঁড়সের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এছাড়া বরবটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, গাজর ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পাকা টমেটো ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঝিঙে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এ সবজিগুলোর দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।

কাঁচকলা, পেঁপে, কচুর লতি, লাউ ও উস্তের দামও সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে। কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। লাউয়ের পিস বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। এক কেজি কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। উস্তের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

ডি-এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়