আট বছরের শিশুকে মাদ্রাসায় ধর্ষণ, শিক্ষক আটক

আগের সংবাদ

৪৩৮ কোটি টাকায় ৫ লাখ পুষ্টি বাগান স্থাপন করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

পরের সংবাদ

ইএফডি নিয়ে নৈরাজ্য বন্ধের দাবি দোকান মালিকদের

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২১ , ৬:৩৪ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২২, ২০২১ , ৬:৩৪ অপরাহ্ণ

দুই বছরে মাত্র তিন হাজার দোকানে ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) বসানোয় ব্যবসায়ীরা বৈষম্য ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তাই এ সমস্যা সমাধানে যেকোনো একটি ব্যবসায়িক খাতে ইএফডি যন্ত্র বসানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটি। এছাড়া যতদিন ৮০-৯০ ভাগ প্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) মেশিন স্থাপন করা না হচ্ছে ততদিন ভ্যাট গোয়েন্দার জরিপ সংক্রান্ত অভিযান বন্ধের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন।

মঙ্গলবার (২২ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি এবং জাতীয় দোকান ভিত্তিক সংগঠনের উদ্যোগে খুচরা পর্যায়ের ৫ শতাংশ ভ্যাট উৎসে আদায়ের দাবিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার রুহুল আমিন, মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা প্রমুখ।

দোকান মালিক সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, নতুন ভ্যাট আইনে বলা ছিল- দোকান এবং প্রতিষ্ঠান রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজস্ব বোর্ড ইলেকট্রনিক ফিসকাল ডিভাইস (ইএফডি) মেশিন স্থাপন করবে। দুই বছরে তারা দেশে মাত্র তিন হাজার ইএফডি মেশিন স্থাপন করতে পেরেছে। এর ফলে যেসব দোকানে ইএফডি মেশিন আছে সেসব দোকানে ক্রেতা কমে গেছে।

তিনি বলেন, দুই বছরে ৮০-৯০ শতাংশ দোকানে ইএফডি স্থাপন করে একযোগে ভ্যাট নেওয়ার দরকার ছিল। রাজস্ব বোর্ড দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেনি। তারা খেয়াল-খুশিমতো অপরিকল্পিতভাবে ইএফডি স্থাপন না করে তিন হাজার যন্ত্রকে যেকোনো একটা খাতে ব্যবহার করা যেতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ- সারাদেশের স্বর্ণের দোকান, টাইলসের দোকান বা হোটেল-রেস্তোরাঁ এমন একটি খাত নির্বাচন করবে রাজস্ব বোর্ড, যেখানকার সব দোকান ইএফডির আওতায় নিয়ে আসবে।

যতদিন পর্যন্ত ৮০-৯০ ভাগ দোকান ইএফডির আওতায় না আসবে ততদিন পর্যন্ত অন্য খাতে খুচরা পর্যায়ের ৫ শতাংশ ভ্যাট উৎসে করের ৩০ শতাংশের সঙ্গে যুক্ত করে ৩৫ শতাংশ কর আদায়ের প্রস্তাব করেছে ব্যবসায়ীরা।

হেলাল উদ্দিন বলেন, ৫ শতাংশ হারে যেটা ভোক্তার কাছ থেকে নেওয়ার কথা সেটা উৎসে কর হিসাবে নিয়ে যাক। আমরা দেখছি, খুচরা পর্যায়ে তারা ৫০-৬০ কোটি টাকার বেশি ভ্যাট আদায় করতে পারেনি। উৎস কর হিসাবে তারা ৩০ শতাংশ নিচ্ছে সঙ্গে আরও ৫ শতাংশ নিলে তারা আরো বেশি ভ্যাট আদায় করতে পারবে।

এ সময় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, রাজস্ব বোর্ডের সাড়াশি অভিযানে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা দিশেহারা। ভ্যাট গোয়েন্দারা অতর্কিতভাবে বিভিন্ন মার্কেট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তল্লাশির নামে দোকানে রক্ষিত কাগজপত্র জব্দ করে নিয়ে যায়। অনেক সময় উক্ত প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত ব্যক্তিকেও তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে সারাদেশে ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম আতঙ্কের মধ্যে আছে। এতে ব্যবসাবান্ধব সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়