জনগণের না, নিজেদের ভাগ্য উন্নয়ন করতে চায় বিএনপি : কাদের

আগের সংবাদ

প্রেমিকের জন্মদিন মাতিয়ে দিলেন শ্রাবন্তী

পরের সংবাদ

লক্ষ্মীপুর-২ আসন ও ২০৪ ইউপি নির্বাচন সোমবার

প্রকাশিত: জুন ২০, ২০২১ , ৩:৪৫ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২০, ২০২১ , ৫:০৮ অপরাহ্ণ

করোনা মহামারি ও বন্যার মধ্যে সোমবার (২১ জুন) লক্ষ্মীপুর-২ সংসদীয় আসনসহ ২০৪ টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ ও ঝালকাটি সদর পৌরসভার নির্বাচন হচ্ছে। এ উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।

লক্ষীপুর-২ উপনির্বাচন, ২টি পৌরসভা এবং ২০ টি ইউনিয়ন পরিষদে ইভিএমে ভোট নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইসি। নির্বাচন উপলক্ষে বেশ কিছুদিন এলাকায় ব্যাপক প্রচার চালায় প্রার্থীরা। নির্বাচনী এলাকায় ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে সয়লাব হয়। স্থানীয় নির্বাচন উপলক্ষে এলাকায় উৎসব ও শঙ্কা দুই বিরাজ করছে। অনেক ইউনিয়ন পরিষদে বিভিন্ন প্রার্থীর মধ্যে হাতাহাতি, সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। যদিও বৃষ্টির কারণে প্রচারণায় কিছুটা বাঁধাপ্রাপ্ত হয়েছে। আগামীকাল সোমবার বৃষ্টি থাকলে ভোটগ্রহণ কিছুটা বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। করোনাকালে প্রচারে অধিকাংশ স্থানে মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি, ছিল না সামাজিক দুরত্বের বালাই। এদিকে শনিবার মধ্যরাত থেকে বন্ধ হচ্ছে প্রচার প্রচারণা।

এ বিষয়ে ইসির যুগ্ম সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানিয়েছেন, করোনার মধ্যে প্রথমত ৩৭১ টি উনিয়ন পরিষদ ও ১১ টি পৌরসভায় নির্বাচন হবার কথা ছিল। কিন্তু খুলনা বিভাগসহ যেসব এলকায় করোনার জন্য লকডাউন রয়েছে বা রিস্ক আছে সে ধরনের ১৬৩টি ইউনিয়ন পরিষদের এবং ৯ টি পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মারা যাওয়ায় আগেই সেগুলো স্থগিত ঘোষণা করে ইসি। সেকারণে আগামীকাল ২১ জুন লক্ষীপুর-২ উপনির্বাচন, ২টি পৌরসভা ও ২০৪টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে সংসদীয় আসন ও ২ পৌরসভা ও ২০টি ইউপিতে ইভিএমে ভোট নেওয়া হবে। আর বাকি ১৮৪ টি ইউনিয়ন পরিষদে ব্যালটে ভোটগ্রহণ করা হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। ইতিমধ্যে ভোট সামগ্রি উপজেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে মাক্স ছাড়া কেউ যেন ভোট না দিতে আসেন। এছাড়া আমরা প্রতিটি কেন্দ্রে অতিরিক্ত ৪০০ টাকা বরাদ্দ করেছি সেনিটাইজার ব্যবহারের জন্য। লাইনেও সামাজিক দুরত্ব মেনে দাড়ানোর নির্দেশনা রয়েছে।

তিনি জানান, এ উপলক্ষে ইতিমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, অন্যান্য কমিশনারগণ, সচিবসহ আমরা বিভিন্ন জেলায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছি। নির্বাচন উপলক্ষে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিয়োগ করা হয়েছে প্রায় ৭৬ জন নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট। তারা ২০ জুন থেকে ২২ জুন পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। কোন ধরনের নির্বাচনী বিধি ভঙ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন তারা। নির্বাচন উপলক্ষে এলাকায় টহলে রয়েছে পুলিশ, র‌্যাব, আর্মড ফোর্স, কোস্টগার্ড এবং আনসার। নির্বিঘ্নে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। নির্বাচন এলাকায় শনিবার থেকে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ভোটের দিন যান সংশ্লিষ্ট এলাকায় অফিস আদালত বন্ধ থাকবে, যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল ৩৭১টি ইউপিতে ভোট নেওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে তা পিছিয়ে ২১ জুন দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়। বেশ কিছু জেলায় লকডাউন থাকায় খুলনা বিভাগের সবগুলোসহ ১৬৩টি ইউনিয়ন পরিষদের ভোট আপাতত হচ্ছে না। এর মধ্যে রয়েছে বাগেরহাট জেলায় ৬৮টি, খুলনা জেলায় ৩৪টি, সাতক্ষীরা জেলায় ২১টি, নোয়াখালী জেলায় ১৩টি, চট্টগ্রাম জেলায় ১২টি এবং কক্সবাজার জেলায় ১৫টি ইউনিয়ন পরিষদ।

আর-এনআরআর/এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়