পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন পেলেন এক নারী!

আগের সংবাদ

পরী মনির বক্তব্য শোনেননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা!

পরের সংবাদ

আ. লীগ ছাড়া নারীর ক্ষমতায়ন হতো না

প্রকাশিত: জুন ২০, ২০২১ , ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ২০, ২০২১ , ৯:২৮ পূর্বাহ্ণ

৭২ বছর পূর্ণ হলো মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের। এই মাহেন্দ্রক্ষণে দলটি সম্পর্কে কী ভাবছেন সহযোগী সংগঠনের নেতারা। ভোরের কাগজের কাছে এ নিয়ে কথা বলেছেন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুন। লিখেছেন মুহাম্মদ রুহুল আমিন।

আওয়ামী লীগের জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। আমরা একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র পেতাম না। আওয়ামী লীগের জন্ম না হলে এই দেশে নারীর ক্ষমতায়ন হতো কী না সেটা সন্দেহ আছে। আজকে নারীরা রাষ্ট্রের, সমাজের সর্বত্র নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এটা আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে। গোটা জাতি বিশেষ করে এ দেশের নারীসমাজ ভাগ্যবান যে, তারা বঙ্গবন্ধুর মতো একজন মহান নেতাকে পেয়েছেন, শেখ হাসিনার মতো একজন মহান নেত্রীকে পেয়েছেন। আমার বিশ্বাস, আগামী প্রজন্ম এই নেতার মতোই একজন যোগ্য নেতৃত্বকে পাবেন। যিনি নারীদের চলার পথকে আরো মসৃন করবেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা সেভাবেই আগামী নেতৃত্ব তৈরি করে যাবেন।

৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পূর্বক্ষণে ভোরের কাগজের কাছে দেশের প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ সম্পর্কে এভাবেই নিজের অনুভূতি তুলে ধরেন দলটির সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ না হলে আমরা একজন জাতির পিতা পেতাম না। পেতাম না হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ একজন বাঙালিকে। আওয়ামী লীগের পথচলা কখনোই সহজ ছিল না। বারবার মরে গিয়েও জীবিত হয়ে উঠেছে এ দলটি। আওয়ামী লীগ সৃষ্টির পর থেকেই এ দলের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত হয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের দলের প্রতি ভালোবাসা ছিল, দেশের প্রতি ভালোবাসা ছিল। আজকের আওয়ামী লীগেও যারা নেতাকর্মী আছেন তারাও এই দলটিকে, এই দেশটিকে ভালোবেসে আছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আদর্শ থেকে কিছু মানুষ ছিটকেও পড়েছিল। কারণ, তারা দল ও দেশকে ভালোবেসে রাজনীতিতে আসেনি। তারা এসেছিল নিজের স্বার্থ হাসিলে, নিজের আখের গোছাতে। ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতার মসনদে বসতে এসেছিল। নিয়তি তাদের সহায়তা করেনি। কারণ, তাদের উদ্দেশ্য ভালো ছিল না। আওয়ামী লীগের আদর্শচ্যুতরা এখন ঘৃণিত। ইতিহাসে বেইমান হিসেবেই তাদের পরিচিতি। উদাহরণ হিসেবে তিনি খন্দকার মোশতাকের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আমি যে আওয়ামী লীগকে দেখে আসছি, সেই আওয়ামী লীগের চলার পথ কখনোই সহজ ছিল না। পদে পদে এই দলটিকে হাজারো বাধা-বিপত্তি পার হতে হয়েছে। এই দলের ইতিহাস বলে শেষ করা যাবে না। ইতিহাসই প্রমাণ, এই দেশের জন্য আওয়ামী লীগ কী পরিমাণ ত্যাগ স্বীকার করেছে।

সাফিয়া খাতুন বলেন, পথচলার ৭২ বছরের মধ্যে ৪০ বছর এই দলের হাল ধরে আছেন জাতির পিতার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। সব হারিয়ে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগকে এবং এই দেশের মানুষকে আপন করে নিয়েছেন। দল এবং জনগণের জন্যই তিনি নিজেকে উৎস্বর্গ করেছেন। সব রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে তিনি দল ও দেশের নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এটা আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া। শেখ হাসিনা দীর্ঘজীবী হোক, খুব শিগগিরই এই বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে।

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন যারা ছাত্রলীগ-যুবলীগ বা অন্যান্য সংগঠনে সম্পৃক্ত। তারাই হবে এই দলের আগামী দিনের নিবেদিত প্রাণ। তরুণরাই আওয়ামী লীগকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। শেখ হাসিনা আগামীর বাংলাদেশের যে রূপরেখা দিয়েছেন, সেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাত ধরেই পরিপূর্ণতা পাবে।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়