কুষ্টিয়ায় দুই ভাই খুন: ৪ আসামির জামিনের রিভিউ খারিজ

আগের সংবাদ

চুক্তি বাস্তবায়নে সদিচ্ছা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকতে হবে

পরের সংবাদ

যবিপ্রবির ভিসিসহ তিন কর্মকর্তাকে অযোগ্য ঘোষণা হাইকোর্টের

প্রকাশিত: জুন ২০, ২০২১ , ৪:০৪ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২০, ২০২১ , ৪:০৭ অপরাহ্ণ

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ভিসি, রেজিস্ট্রার ও জনসংযোগ কর্মকর্তাকে দায়িত্বশীল পদের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করেছেন সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি একাধিকবার বিকৃত করার মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে তাদের বিরুদ্ধে এই রায় ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী এক মাসের মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী আনোয়ার হোসেন বিপুলের আইনজীবী হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এমকে রহমান।

তিনি জানান, গত ১৫ জানুয়ারি বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বিত বেঞ্চ মামলাটির রায় প্রদান করেন। ১৫ জুন সেই রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি আমরা হাতে পেয়েছি। রায়ে যবিপ্রবির ভিসি প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, রেজিস্টার ইঞ্জিনিয়ার আহসান হাবিব ও পাবলিক রিলেশন অফিসারকে দায়িত্বশীল পদের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি জানান, যবিপ্রবির ২০১৮ ও ২০১৯ সালের ডেস্ক ক্যালেন্ডারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি বিকৃতি করে উপস্থাপন করা হয়। এজন্য ২০১৯ সালে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সদর উপজেলা পরিষদের তৎকালীন ভাইস চেয়ারম্যান, বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল।

সেই পিটিশনের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ১৫ জুন প্রকাশ করা হয়েছে। রায়ে জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি দায়িত্বশীলরা যথাযথভাবে উপস্থাপন করেননি বলে উল্লেখ করে তাদের ওই পদের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। একই সাথে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মামলার বাদী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সদর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি বিকৃতকারীদের আমি শাস্তি চেয়েছিলাম। আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। মামলার রায় আগে ঘোষণা করা হলেও করোনার কারণে পূর্ণাঙ্গ রায় বের হতে সময় লেগেছে। এমনিতেই অনেক সময় পার হয়ে গেছে। আমি চাই দ্রুত উচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়ন করা হোক।’

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়