আগামী দশ বছরে দেশের ৫ মহানগরী বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে!

আগের সংবাদ

বাইডেনের ‘খুনি’ মন্তব্যের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট পুতিন

পরের সংবাদ

যানজটের দুর্ভোগ কমাতে জয়দেবপুর-কমলাপুর বিশেষ ট্রেন চালু

প্রকাশিত: জুন ১৭, ২০২১ , ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ১৭, ২০২১ , ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ

গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে রাজধানী ঢাকার উত্তরা পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ১২ কিলোমিটার সড়কে অব্যাহত যানজটের কারণে মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি ভেবে গাজীপুরের জয়দেবপুর রেল স্টেশন থেকে ঢাকার কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আগামী রবিবার থেকে বিশেষ এই ট্রেন চলাচল করবে। বুধবার (১৬ জুন) রাতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত রাস্তাটিকে যানজটমুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিআরটি প্রজেক্ট আমাদের উপহার হিসেবে দিয়েছেন। ঠিকাদারদের ক্রমাগত দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে অনেক বছর ধরে ধীর গতিতে কাজ করায় মানুষের দুর্ভোগের কোনো সীমা নেই। বর্ষাকাল আসলে এই দুর্ভোগ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।

‘বিআরটি প্রজেক্টে দায়িত্ব পালন করা সচিব, পিডিসহ সবাইকে প্রায় প্রতিদিনই কয়েকবার করে ফোন করছি, যাতে টঙ্গী-গাজীপুরবাসীসহ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী প্রায় ৩৭টি জেলার মানুষকে দুর্ভোগের হাত থেকে দ্রুত রক্ষা করা যায়। সিটি করপোরেশন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসনসহ সবাই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন। গাজীপুর যাওয়ার বিকল্প সব সড়কে এক সঙ্গে কাজ চলমান থাকায় বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে না পারায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেছে।

এই দুর্ভোগের হাত থেকে মানুষদের কিছুটা হলেও রক্ষা করতে বুধবার রাতে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আগামী রবিবার হতে গাজীপুর থেকে টঙ্গী হয়ে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে টঙ্গী হয়ে গাজীপুর পর্যন্ত বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

তিনি রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, জনগণের দুর্ভোগ লাগবে আমার পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সব ধরনের উন্নয়ন প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

টঙ্গী থেকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ১২ কিলোমিটার অংশে যাত্রীদের সব সময় যানজটের কবলে পড়তে হয়। এ নিয়ে যাত্রী সাধারণের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। সড়কটিতে চলাচলকারীরা বলছেন, উন্নয়ন কাজের জন্য এখন চলাচল করতে নানা সমস্যা হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হওয়ায় মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

তবে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সড়ক সচলে পুরোদমে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৫৫ ভাগ কাজ শেষ হয়ে গেছে। টঙ্গী কলেজ গেট থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে দুই-দুই করে চার লেনের রাস্তার কাজ আগামী এক মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ পুরোদমে চলছে। ২০২২ সালের জুনে গাজীপুর-বিমানবন্দর অংশটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে।

ডে /এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়