তিনে আবাহনী, শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

আগের সংবাদ

আট বছর পর জয়ের আক্ষেপ ঘুচল রাশিয়ার

পরের সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি

বারবার আবেদন করেও তালিকায় নাম ওঠেনি ১০ মুক্তিযোদ্ধার

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২১ , ১০:০১ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ১৬, ২০২১ , ১০:০৯ অপরাহ্ণ

বারবার আবেদন করলেও মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম ওঠেনি ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়ে ১৯৭১ সালে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া পাবনার ডাকবাংলা পাড়ার রাধানগরের ১০ ব্যক্তির।

তারা হলেন- ওই এলাকার হাঁড়িয়া গ্রামের আব্দুর রহমান, আমজাদ হোসেন, আব্দুল খালেক, চিনানাড়ী গ্রামের মকবুল হোসেন, লুৎফর রহমান, মোতাহার হোসেন, সাইফুল ইসলাম, আবু তালেব এবং পাটগাড়ী গ্রামের আব্দুল আজিজ ও এ টি এম শাহজামাল। তাদের অভিযোগ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকার পরেও অদৃশ্য কারণে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে না। এ ব্যাপারে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন।

চিঠিতে তারা উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়ার জন্য হাঁড়িয়া গ্রাম থেকে সাতজন, পাশের গ্রাম চিনানাড়ী থেকে পাঁচজন ও পাটগাড়ী থেকে দুজনসহ মোট ১৪ জন ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশ নেই। মুক্তিযোদ্ধা তালিকা ও হালনাগাদ করার সময় আমরা ১৪ জনসহ অনেকেই নির্ধারিত ফরমে আবেদন করি। ১৪ জনের মধ্যে হাঁড়িয়া থেকে মো. জহুরুল হক, আলতাব হোসেন, মোতাহার হোসেন ও রইস উদ্দিনের নাম তালিকায় অন্তর্র্ভুক্ত হয়েছে। অদৃশ্য কারণে আমরা ১০ জন বাদ পড়েছি। এরপর আরো কয়েকবার আবেদন নেয়া হয়েছে। যাচাইবাছাই হয়েছে। প্রতিবারই অদৃশ্য কারণে আমরা ১০ জন বাদ পড়ি।

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার প্রমাণস্বরূপ মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতের বালুরঘাটের কাছে মালঞ্চি ও তরঙ্গপুর মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের পরিচালক পাবনার বেড়া-সাঁথিয়া এলাকার তৎকালীন এমপি অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, ৭ নং সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর মো. আব্দুর রশিদ, বেড়া থানা মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার এস এম আমির আলী, পাবনা জেলা মিলিশিয়া কমান্ডার মো. মকবুল হোসেন সন্টু, সাঁথিয়া থানা কমান্ডার মো. নিজাম উদ্দিন ও বর্তমান এমপি মো. শামসুল হক টুকুর কাছে অস্ত্র জমা দেয়ার সার্টিফিকেট আমাদের কাছে আছে যা জমা দেয়ার পরেও অদৃশ্য কারণে তালিকায় স্থান পাইনি।

সর্বশেষ ২০১৩ সালে যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা অথচ তালিকাভুক্ত হয়নি তাদের অনলাইনে আবেদন চাওয়া হয়। তখনো আবেদন করি। যা ২০১৭ সালে যাচাইবাছাই কমিটি আমাদের ১০ জনসহ মোট ১৬৫ জনের তালিকা জামুকাতে পাঠায়। পরে জানতে পারি এত দীর্ঘ তালিকার কারণে জামুকার সন্দেহ হওয়ায় সে তালিকা ফেরত দিয়েছে।

সকল চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে জীবন সায়াহ্নে এসে গণতন্ত্রের মানসকন্যা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন যে, মৃত্যুর আগে হলেও স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিনীত ইচ্ছা প্রকাশ করছি।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়