সোমালিয়ায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ১৫

আগের সংবাদ

বু‌ড়িগঙ্গার আদি চ্যানেলে বিআইডব্লিউটির উচ্ছেদ অভিযান

পরের সংবাদ

পরী মনিকে নির্যাতন: অমির বিরুদ্ধে মামলা, ১০২ পাসপোর্ট জব্দ

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২১ , ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ১৬, ২০২১ , ২:৩১ অপরাহ্ণ

পরী মনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টায় গ্রেপ্তার তুহিন সিদ্দিকী অমির দুই সহযোগীকে রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে এ অভিযান চালানো হয়। সাভার ও দক্ষিণখান থানার পুলিশ যৌথভাবে এ অভিযান চালায়। এসময় অমির অফিস থেকে ১০২টি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ জুন) দক্ষিণখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল হক মিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিশেষ অনুমতি ছাড়া বেআইনিভাবে পাসপোর্ট রাখার দায়ে তাদের প্রথমে আটক করা হয়। এরপর এ ঘটনায় দক্ষিণখান থানায় একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় অমি ও তার দুই সহযোগীকে আসামি করা হয়।

দক্ষিণখান থানাধীন আশকোনা হাজি ক্যাম্প সংলগ্ন সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে তুহিন সিদ্দিকী অমির। সে প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মকর্তা বাছির ও মশিউর মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিকদার মো. শামীম হোসেন জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের ১০ দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১৫ জুন) রাতে ঢাকা জেলা পুলিশ এসে দক্ষিণখান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। আটকের পর ঢাকা জেলা পুলিশ বাদী হয়ে দক্ষিণখান থানায় একটি মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় বাছির ও মশিউর মিয়াকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলাটি পাসপোর্ট অ্যাক্টে করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০২টি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে।

আজিজুল হক মিয়া বলেন, প্রতিষ্ঠানটি তুহিন সিদ্দিকী অমির হলেও এর পরিচালনার দায়িত্ব ছিলেন বাছির ও মশিউর মিয়া। তাদের মধ্যে একজন প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও অন্যজন মার্কেটিং ডিরেক্টর। ‌

তিনি বলেন, বিশেষ কোনো অনুমতি ছাড়া একটি লোক বা একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে এতগুলো পাসপোর্ট থাকা বেআইনি কাজ। সে কারণেই তাদের আটক করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

গত ৯ জুন (বুধবার) রাতে ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন পরী মনি। গত রবিবার রাতে প্রথমে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বলেন তিনি। তখন তিনি অভিযোগ করে বলেন চারদিন বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেও কোনো সহযোগিতা পাননি। পরে সংবাদ সম্মেলনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়।

ডি-এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়