গার্ড অব অনারে নারী ইউএনও নিয়ে এখনই আদেশ নয়: হাইকোর্ট

আগের সংবাদ

দেশে অনুমোদন পেল জনসনের টিকা

পরের সংবাদ

তথ্যের অভাবে অর্থ পাচারকারীদের ধরা যাচ্ছে না: দুদক

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২১ , ৬:৩৬ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ১৫, ২০২১ , ৬:৩৬ অপরাহ্ণ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন আব্দুল্লাহ বলেছেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের অভাবে অর্থ পাচারকারীদের ধরা যাচ্ছে না। বিদেশে অর্থপাচারের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন দেশে চিঠি পাঠানো হলেও অধিকাংশ সময় জবাব পাওয়া যায় না। এছাড়া অনেক দেশ মামলা হয়েছে কি না জানতে চায়, মামলা হলে তারা তথ্য দেবে। কিন্তু আমারা মামলা করার জন্যই তথ্য চাই। এমন নানা ধরনের সমস্যায় অর্থ পাচারকারীদের ধরা যাচ্ছে না।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশনের (র‌্যাক) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থ পাচারকারীদের ধরতে নানা বাধা থাকলেও সমস্যাগুলো অতিক্রম করার জন্য নতুন করে পরিকল্পনা করা হবে জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আন্তর্জাতিকভাবেও আমাদের কাছে তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ আসে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে আমরা জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট ফোরামে স্বাক্ষর করেছি। এরপরও সময় মতো সব দেশ থেকে সহযোগিতা পাচ্ছি না। তবে দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেই বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়।

মঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহ বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে আমার অভিজ্ঞতা হচ্ছে, মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত ডকুমেন্ট এবং তথ্য পাওয়াই এখন আমাদের প্রধান অন্তরায়। দেশে ও বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেসব অভিযোগ আসে, তার ভিত্তিতে আমরা কাজ করি। মানিলন্ডারিংয়ের বিষয়ে আমাদের কাছে সাধারণত তথ্য আসতে হয়। এ বিষয়ে যেসব তথ্য থাকতে হয়, তা সাধারণত ডকুমেন্টারি ভিত্তিতে পেতে হয়। তা সঠিকভাবে পেলে আমাদের মামলায় হারার কোনো সুযোগ নেই।

জানা যায়, ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী, ঘুষ বা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করার ঘটনা দুদক অনুসন্ধান ও তদন্ত করে থাকে। বৈদেশিক বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ বিদেশে পাচারের ঘটনা তদন্ত করে এনবিআর। আর হুন্ডি বা অন্য কোনো উপায়ে অর্থ পাচার হলে তা পুলিশের সিআইডি তদন্ত করে। অর্থপাচার রোধে বাংলাদেশে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন করা হয় ২০১২ সালে। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর এ আইন সংশোধন করা হয়। আইন অনুযায়ী, বৈধ বা অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ বা সম্পত্তি নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিদেশে পাচার মানিলন্ডারিং অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়