বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে সীমান্তবর্তী ১৯ জেলায়

আগের সংবাদ

২৯ শে পা দিশা পাটানির, রাজত্ব করছেন বলিউডে

পরের সংবাদ

পদ্মা সেতু নিয়ে উচ্ছ্বাস ভারতীয় গণমাধ্যমে

প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২১ , ৩:৩২ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ১৩, ২০২১ , ৩:৩২ অপরাহ্ণ

পদ্মা সেতু নিয়ে এরই মধ্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ শুরু হয়ে গেছে ভারতীয় গণমাধ্যমে । আগামী জুনে উদ্বোধন হতে পারে দেশের সবচেয়ে বড় এ সেতুটির। এ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ঢাকায় চলাচলকারী ভারতীয় পর্যটকদের সুযোগসুবিধার বিষয়জানিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যেই পথ অতিক্রম করতে লাগে ১০ ঘণ্টা, তা অনায়াসে সাড়ে ৩ বা ৪ ঘণ্টায় পার হওয়া যাবে।

সড়ক পথে ঢাকা থেকে কলকাতা আসতে বা কলকাতা থেকে ঢাকা যেতে সারাদিন লেগে যায়। দূরত্ব তো আছেই, সঙ্গে আছে পদ্মা তীরে ফেরির জন্যে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা। তবে পদ্মা নদীর উপর তৈরি হয়ে যাচ্ছে সেতু। আশা করা হচ্ছে দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে জুন মাসেই চালু হবে এই সেতু। এদিকে রেল সেতু তৈরি হতে সময় লাগবে আরও তিনবছরের মতো লাগবে। আর সেই রেলসেতু তৈরি হয়ে গেলেই কমে যাবে কলকাতা থেকে ঢাকা যাওয়ার সময়। যেই পথ অতিক্রম করতে লাগে ১০ ঘণ্টা, তা অনায়াসে সাড়ে ৩, ৪ ঘণ্টায় পার হওয়া যাবে। বর্তমানে কলকাতা স্টেশন থেকে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনে কলকাতা থেকে ঢাকা যাওয়া যায়, প্রায় ১০ ঘণ্টা লাগে।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, রেলমন্ত্রী মহম্মদ নূরুল ইসলাম সুজন আশা করছেন, ২০২৪ সালের মার্চে পদ্মা নদীর উপর রেলসেতু চালু হবে। তিনি মনে করেন, এরপর কলকাতা থেকে ঢাকা বা ঢাকা থেকে কলকাতা যাতায়ত করতে সময় লাগবে মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টা।

শুধু তাই নয়, কলকাতা থেকে আগরতলা যেতে রেলে ৩০ ঘণ্টা লাগে। সেই সময়ও কমে আসতে পারে ৬ ঘণ্টায়।

এরই মধ্যেই কলকাতা থেকে আগরতলা বাস চলে ঢাকা হয়ে। পদ্মা সেতু নির্মাণ হলে রেল পরিসেবাও চালু হতে পারে এই রুটে।

বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের প্রধান শহর কলকাতার রেলস্টেশন থেকে নদীয়া হয়ে গেদে হয়ে সীমান্ত স্টেশন দর্শনা পার করে ঢাকায় অবস্থিত ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছায় মৈত্রী এক্সপ্রেস। এই রুটে ৪০০ কিলোমিটার রেলপথ পাড়ি দিতে হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ২৮০ কিলোমিটার ও ভারতের মধ্যে ১২৯ কিলোমিটার। তবে পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলে কলকাতা স্টেশন থেকে বনগাঁ জংশন হয়ে হরিদাসপুর সীমান্ত দিয়ে বেনাপোল হয়ে যশোর, নড়াইল, ফরিদপুরের ভাঙ্গা হয়ে ঢাকা পৌঁছতে পারবে ট্রেনটি। এই রুটে মাত্র ২৫১ কিলোমিটার রেলপথ যেতে হবে। এই পথে গেলে পশ্চিমবঙ্গে ২৫১ কিলোমিটার রেলপথ এবং বাংলাদেশে ১৭২ কিলোমিটার পথ পার করতে হবে। যা পার করতে মৈত্রী এক্সপ্রেসের গতিতে সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি লাগার কথা নয়।

ডি-আরআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়